ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১৮ মহররম ১৪৪৬

স্বাস্থ্য

ঢামেকে বিনামূল্যের গেট পাস বিক্রির হিড়িক!

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬০৯ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৪, ২০১৭
ঢামেকে বিনামূল্যের গেট পাস বিক্রির হিড়িক! বিনামূল্যের গেট পাসের ছবি

ঢাকা: ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বিনামূল্যের গেট পাস অর্থের বিনিময়ে বিক্রি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ৫ টাকা থেকে ২০টা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে রোগীর এসব পাস। এ নিয়ে অভিযুক্তরা বলছেন, তারা ‘ভুলবশত’ বিক্রি করে ফেলেছেন।

বুধবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় ঢামেক জরুরি বিভাগের টিকিট কাউন্টারে গেট পাস বিক্রির চিত্র চোখে পড়ে। পাস ব্যবস্থা চালু করা হয় ঢামেকে বহিরাগতদের আনাগোনা কমিয়ে দিতে।

ভিজিটর প্রবেশের জন্য নির্ধারিত সময় ছাড়া এই পাস না দেখালে কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয় না।

সকালে জরুরি বিভাগের গেটে কর্মরত আনসার সদস্যরা বাংলানিউজকে জানান, প্রশাসনের নির্দেশ ছাড়া কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এতে অতিরিক্ত ভিজিটর ও বহিরাগতদের আনাগোনা অনেকাংশে কমে যাবে।

কিন্তু রোগী দেখতে আসা স্বজনরা জানান, বিনামূল্যের গেট পাস তাদের ৫-২০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

২১২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন লিজা নামে এক রোগীর স্বজন বিল্লাল জানান, ঢামেকের ক্যাজুয়ালিটি বিভাগে ঢুকতে চাইলে আনসার সদস্যরা তাকে বাধা দেন। তখন কাউন্টার থেকে ২০ টাকার একটি গেট পাস কিনে ভেতরে ঢুকতে হয়।

কিন্তু এ টিকিট বিক্রিকে ‘ভুলবশত’ উল্লেখ করে কাউন্টারের ইনচার্জ তরিকুল ও মাইজ বিন সুলতান বাংলানিউজকে বলেন, আমরা ভুলবশত বিনামূল্যের গেট পাস বিক্রি করেছি। বিভিন্ন সময় কাজের চাপে আমাদের ভুল হয়ে যায়।

এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিজানুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, দুপুর ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভিজিটর প্রবেশের অনুমতি রয়েছে। বাকি সময় গেট পাস দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে হবে। হাসপাতালের শৃঙ্খলা রক্ষায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

টাকার বিনিময়ে গেট পাস বিক্রির কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেউ যদি তথ্য-প্রমাণসহ সঠিক তথ্য দিতে পারে, তাহলে জরুরি ভিত্তি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সময়: ২২০৫ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৪, ২০১৭
এজেডএস/ওএইচ/এইচএ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।