ঢাকা, বুধবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩১, ১৯ জুন ২০২৪, ১১ জিলহজ ১৪৪৫

স্বাস্থ্য

ডিএসসিসির টিকাদান কার্যক্রম জোরদারের অঙ্গীকার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫০৪ ঘণ্টা, মে ৩০, ২০২৪
ডিএসসিসির টিকাদান কার্যক্রম জোরদারের অঙ্গীকার

ঢাকা: টিকাদান সম্পর্কিত জনবল সংকট নিরসনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচি বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত।

টিকাদান প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে এবং সব শিশুকে টিকার আওতায় আনতে মেয়রের নেতৃত্বে ডিএসসিসি কাজ করে যাচ্ছে। আমরা টিকাদান প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত   বেশ কিছু জনবল নিয়োগ দিয়েছি এবং বাকি নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। এর মাধ্যমে টিকাদানে ডিএসসিসির সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে। একই সাথে শিশুদের সুরক্ষায় টিকাদান কর্মসূচিসহ স্বাস্থ্যখাতকে গুরত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে ‘ডিএসসিসিতে সম্প্রসারিত টিকাদান কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জ এবং তা থেকে উত্তরণের উপায়’ বিষয়ক গবেষণার ফল প্রকাশ সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে গ্যাভি সিএসও’র ভাইস চেয়ারম্যান এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. নিজাম উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন টিকাদান কার্যক্রম তুলনামূলকভাবে সফলতা অর্জন করলেও বেশ কিছু জায়গায় পিছিয়ে আছে। যার মূল কারণ টিকাদান কার্যক্রমের সাথে জড়িত জনবল সংকট। পর্যাপ্ত টিকার অভাবের পাশাপাশি অভিভাবকদের অসচেতনতার কারনেও কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না, যা অনেক শিশুকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। সমস্যা সমাধানে দ্রুত সব শুন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা জরুরি। একই সাথে নতুন পদ সৃষ্টি, সেখানে জনবল নিয়োগ এবং কার্যকর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে টিকাদান প্রক্রিয়াকে জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় ইউনিসেফ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ (টিকা) ডা. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, ডিএসসিসির ব্যাপক জনবলের সংকট থাকা সত্ত্বেও তারা টিকাদানের কার্যক্রমে সফলতা অর্জন করেছে। কিন্তু শহরে শিশুদের শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা হচ্ছে মূল চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টিকাদান কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সব জনবল নিয়োগ দেওয়া জরুরি। এ জন্য সিটি কর্পোরেশনকে এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মায়া ভ্যানডেনেন্ট বলেন, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় শিশুদের জন্য টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং। শহরের এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে টিকাদানের আওতায় নিয়ে আসতে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করা জরুরি। আমাদের শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যমান যে সুযোগ আছে তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে।

সভায় বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং-এর সমন্বয়ক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব ডা. মো. শিব্বির আহমেদ ওসমানী, ইপিআই’র সহকারী পরিচালক ডা. মো. তোফাজ্জেল হোসেন প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৫০৩ ঘণ্টা, মে ৩০, ২০২৪
এমএমআই/এমজেএফ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।