ঢাকা, বুধবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩১, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৭ শাওয়াল ১৪৪৫

শিক্ষা

১৬তম এনডিএফ বিডি বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৫১ ঘণ্টা, মার্চ ১, ২০২৪
১৬তম এনডিএফ বিডি বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

ঢাকা: ‘এসো উদয়ের পথে, যুক্তিকথার সমীরণে’ প্রতিপাদ্যে দুই দিনব্যাপী ১৬তম ন্যাশনাল ডিবেট ফর ফেডারেশন বাংলাদেশের (এনডিএফ) বিডি জাতীয় বিতর্ক উৎসব-২৪ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (০১ মার্চ) সকালে রাজধানীর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে এ বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

১৬তম বিডি জাতীয় বিতর্ক উৎসবের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে বাংলানিউজ২৪.কম, দৈনিক কালেরকণ্ঠ এবং ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সান।

বিতর্ক উৎসবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসেন।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আর্মির ডিরেক্টর অব এডুকেশন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রেজাউল ইসলাম (পিএসসি, পিএইচডি), ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড ড্যাফোডিল ফ্যামিলির চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।

মো. সোহরাব হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, বিতর্ক বিতার্কিককে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে, সুন্দর করে নিজেকে সবার সামনে উপস্থাপন করতে সহযোগিতা করে, চমৎকার করে কথা বলতে শেখায়, নেতৃত্বদানের শক্তি অর্জন করেন, অর্থাৎ বিতর্ক মানুষকে শাণিত করে। তার মেধা ও অন্যান্য গুনাগুণকে কার্যকর করতে সাহায্য করে।

তিনি আরও বলেন, বিতার্কিকরা দেশ-বিদেশে আমাদের দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে এবং দেশকে উন্নতির শীর্ষে নিয়ে যেতে পারে। এরমধ্য দিয়েই আমাদের দেশকে একটি স্মার্ট দেশ বানাতে সক্ষম হতে পারি।

ড. মো. সবুর খান বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি বিতার্কিকদের ভালোবাসার সব থেকে বড় কারণ হচ্ছে, তারা সবসময় মন থেকে কথা বলে, স্ক্রিপ্ট দেখে কিছুই বলে না। এটাই হচ্ছে বিতার্কিকদের সব থেকে বড় সৌন্দর্য।

তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের বিতর্ককে যেন শুধুই ধর্ম এবং রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে যারা স্বাধীনতার পূর্ব থেকে আমাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন তাদের দিকে দৃষ্টিপাত করি। অর্থনীতি, জীবিকা কিংবা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কিভাবে এদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে, সেদিকে সব থেকে বেশি নজর দেওয়া উচিৎ।

হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, আমরা যদি বিতর্কের চর্চা করি তাহলে আমরা গণতন্ত্রের চর্চা করতে পারব। বিতর্কের চর্চা করলে আমরা আমাদের সুশাসন নিশ্চিত করতে পারব। বিতর্কের সঙ্গে থাকলে আমরা আমাদের দুর্নীতিকে প্রতিরোধ করতে পারব।

দুই দিনব্যাপী বিতর্ক উৎসবে ৬৪ জেলার স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল কলেজ, ক্যাডেট কলেজ ও মাদরাসার দুই হাজার বিতার্কিকসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সাংবাদিক ও সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেবেন। উৎসবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট, পুরস্কার ও উপহারসামগ্রী দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৪৭ ঘণ্টা, মার্চ ০১, ২০২৪
আরকেআর/এসআইএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।