bangla news

বগুড়া-সৈয়দপুর গ্যাস সরবরাহে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১১-১৩ ৫:৫২:৫৫ এএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নীলফামারী: বগুড়া থেকে নীলফামারীর সৈয়দপুর পর্যন্ত পাইপ লাইনে গ্যাস সরবরাহের জন্য জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গ্যাস ট্রান্সমিশন লিমিটেড (জিটিসিএল) এ নিয়ে প্রস্তাব অনুমোদন করলে নীলফামারী জেলা প্রশাসন জমি অধিগ্রহণ কাজে হাত দেবে। এ সংক্রান্ত রুট ম্যাপ তৈরি ও জরিপ কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে।

সৈয়দপুর উপজেলা ভূমি কার্যালয় সূত্র জানায়, জিটিসিএল কর্তৃপক্ষ গত মে মাসে পাইপলাইন স্থাপনে প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের জন্য চিঠি দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সৈয়দপুর উপজেলা ভূমি অফিস পাইপলাইন স্থাপনে রুট ম্যাপ ও জরিপ কাজ এগিয়ে নেয়। সে অনুযায়ী সৈয়দপুর অংশে প্রায় সাড়ে ১৬ একর জমি অধিগ্রহণ এবং ২৬ দশমিক ০৫ একর জমি হুকুম দখলের প্রস্তাব করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বগুড়া থেকে সৈয়দপুর পর্যন্ত ১৫০ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন করা হবে। সৈয়দপুর অংশের এর দৈর্ঘ্য হবে ৬ কিলোমিটার। এছাড়াও সৈয়দপুরে গ্যাস সরবরাহের জন্য ট্রান্সমিট স্থাপন করা হবে। শহরের বাইপাস সড়কের ওয়াপদা মোড় এলাকায় ওই স্টেশনটি নির্মাণের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

জিটিসিএলের সূত্র মতে, বগুড়া থেকে আসা গ্যাস সরবরাহ পাইপের ব্যাস হবে ৩০ ইঞ্চি। এর ফলে ওই পাইপের আশেপাশে ২৪ ফুট প্রস্থের জমি প্রয়োজন হবে। জরিপে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৩০ মে এ সংক্রান্ত অধিগ্রহণ প্রস্তাবনা জিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বরাবরে পাঠিয়েছে সৈয়দপুর ভূমি অফিস।

এ বিষয়ে কথা হয় সৈয়দপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকারের সঙ্গে। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহের প্রয়োজনে এরই মধ্যে ভূমি জরিপ ও রুট ম্যাপ তৈরির কাজ করেছি। জমি অধিগ্রহণ প্রস্তাবনাও পাঠানো হয়েছে। খুব শিগগিরই এনিয়ে কাজ শুরু করতে পারবো।

সৈয়দপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ইকু গ্রুপের পরিচালক সিদ্দিকুল আলম বাংলানিউজকে জানান, উত্তরের শিল্প শহর সৈয়দপুরে গ্যাস এলে এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে। শিল্পে সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। ফলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

উত্তরাঞ্চলের শিল্প বাণিজ্য বিনিয়োগের প্রসারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বগুড়া থেকে সৈয়দপুর পর্যন্ত পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেন। গেল বছরের ৪ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন হয়। এ প্রকল্পে ১ হাজার ৩৭৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সময়: ০৫৫০ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
এইচএমএস/এসআরএস

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   নীলফামারী
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-11-13 05:52:55