bangla news

আবাসিকে গ্যাস সংযোগের পরিকল্পনা সরকারের নেই

বাংলানিউজ টিম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১১-১১ ৫:৩৭:৫০ পিএম
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। ছবি- সংগৃহীত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। ছবি- সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: এই মুহূর্তে আবাসিক এলাকায় নতুন করে কোনো গ্যাস সংযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

সোমবার (১১ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
 
নসরুল হামিদ বিপু বলেন, আবাসিক এলাকায় গৃহস্থালী কাজে ব্যবহারের জন্য গ্যাস সংযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা আপাতত নেই। দেশের মূল্যবান সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাসের সর্বোত্তম ব্যবহারের লক্ষ্যে মূল্য সংযোজন ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাহক শ্রেণীতে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিতকরণ ও বিকল্প জ্বালানি সহজলভ্য হওয়ায় বর্তমানে আবাসিক অর্থাৎ গৃহস্থালী কাজে গ্যাস সংযোগ দেওয়া স্থগিত আছে। তবে হাসপাতালে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কারাগারে গৃহস্থালী কাজে গ্যাস সংযোগ দেওয়া অব্যাহত রয়েছে।

গৃহস্থালী পর্যায়ে ব্যবহৃত প্রাকৃতি গ্যাসের অপচয় রোধে ও জ্বালানির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতে গৃহস্থালী গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটার সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। বিকল্প জ্বালানি সহজলভ্য হওয়ায় বর্তমানে বাসাবাড়িতে পাইপলাইন গ্যাসের পরিবর্তে এলপিজি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

এরপর ঢাকা ও এর আশপাশে গ্যাস পাইপলাইন অনেক পুরনো, এ ব্যাপারে সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনা সত্য, ঢাকা ও এর আশপাশের গ্যাস পাইপলাইন ৫০ বছরের পুরোনো। বিএনপি-জামায়াতের আমলে এসব গ্যাস পাইপলাইন পরিবর্তন করা হয়নি। বর্তমান সরকার এসবের পরিবর্তনে পরিকল্পনা নিয়েছে। এ ব্যাপারে ১২শ’ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এটি একনেকে অনুমোদন দেওয়া। আগামী কয়েকমাসের মধ্যেই দরপত্র আহ্বান করা হবে।

এ সময় সমুদ্রের গ্যাস আহরণ সংক্রান্ত ব্যাপারে জাতীয় পার্টির সদস্য মুজিবুল হক চুন্নুর আরেক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বিপু বলেন, সমুদ্রে গ্যাস সার্ভে করার জন্য বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা আসে, কিছুদিন কাজ করে আবার চলে যায়। বিশ্ববাজারে গ্যাসের দাম পড়ে যাওয়ার কারণে তারা চলে গেছে। বছর দুয়েক হলো মিয়ানমার সীমান্তের কাছে সার্ভে শুরু হয়েছে। একটি সার্ভে কাজ শেষ করতে ১০-১১ বছর লাগে। সার্ভে করে যদি গ্যাস না পায়, তাহলে সব খরচ ওইসব কোম্পানিকে বহন করতে হয়। আমাদের গ্যাসের অবস্থা কী তা জানা নেই। তবে মিয়ানমার সীমান্তের দিকে যে সার্ভে চলছে, আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে টেন্ডারে যেতে পারবো বলে আশা করছি।

আরও পড়ুন::
>>> বিদ্যুতের দাম কমানোর পরিকল্পনা সরকারের নেই
>>> ‘গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের গড় চাহিদা প্রায় ১৩ হাজার মেগাওয়াট’

বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৩ ঘণ্টা, নভেম্বর ১১, ২০১৯
এসকে/এসই/এইচজে 

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   সংসদ অধিবেশন
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-11-11 17:37:50