bangla news

নির্বাচনে অনিয়ম হলে সরকার পতনের আন্দোলন: গয়েশ্বর

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০১-০৯ ৬:৩৯:৩২ পিএম
বক্তব্য রাখছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ছবি- বংলানিউজ

বক্তব্য রাখছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ছবি- বংলানিউজ

ঢাকা: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কোনো রকম অনিয়ম করা হলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে বলে হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় দলের ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র। 

গয়েশ্বর বলেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। জনগণ যাতে তাদের ভোট দিতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় আন্দোলন হবে। কারও নির্দেশের অপেক্ষায় আমরা থাকবো না। 

আসন্ন নির্বাচন ঘিরে বিএনপির প্রার্থীদের হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব বলছেন, আমরা নাকি হারার আগেই হেরে যাই। আপনার কথাটা তো অসত্য না। কারণ ৩০ তারিখের ভোটের ফলাফল যদি ২৯ তারিখে দেন, তাহলে তো আমাদের হারার আগে হারা ছাড়া বিকল্প পথ থাকে না। 

‘আমরা হারার আগে হারি নাই, আমরা হারবো না। নির্বাচন নিয়ে যে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রের আভাস যদি দেখা যায়, তাহলে এই নির্বাচন হবে আগামী দিনের সরকার পতন আন্দোলনের সূচনা। কোনো দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় আমরা থাকবো না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কালক্ষেপণ না করে যেখানে যে অবস্থায় থাকবো সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবো।’ 

গয়েশ্বর হুঁশিয়ারি উচ্চারন করে বলেন, আমরা রাস্তায় নেমে পড়বো। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করবো। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা না করা পর্যন্ত ঘরে ফিরবো না। প্রয়োজনে লাশ হয়ে কবরে যাবো। দৃঢ়তা নিয়ে ঢাকা মহানগরের সব নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবে আজকের মেয়রপ্রার্থী, প্রধান সেনাপতি তাবিথ আউয়াল।

‘তাবিথ আউয়ালকে সবাই পছন্দ করে। নতুন প্রজন্মের পছন্দ। তিনি শিক্ষিত, মার্জিত সবার পছন্দ। যারা বিএনপি করে তাদের পছন্দ। তিনি যে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন, তা ইতোমধ্যেই জনগণের কাছে দৃশ্যমান।’

নির্বাচন সুষ্ঠু করে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে গয়েশ্বর আরেও  বলেন, বর্তমান সরকার এবং নির্বাচন কমিশন গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৩০ তারিখের পরিবর্তে ২৯ তারিখে করেছে। আমরা বলতে চাই, জনগণের ভাবনা প্রকাশ করতে দিন। একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায় সৃষ্টি না করে মানুষ আপনাদের কীভাবে পরিমাপ করে সেটা যাচাই করুন। জনগণকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদানে সহযোগিতা করুন।

‘জনগণের ভোট দানের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে, জনগণের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করা। মুখে নয়, কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে জনগণ উৎসাহবোধ করবে সেই পরিবেশ সৃষ্টি করা।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, মো. শাজাহান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল আউয়াল খান, নির্বাহী সদস্য ওমর ফারুক শাফিন, নিপুণ রায়, যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টু, ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মো. জুয়েল, ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতা আহসান উল্লাহ আসান, আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা উত্তরেরর বিএনপির মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৩৮ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৯, ২০২০
এমএইচ/এইচজে

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-01-09 18:39:32