[x]
[x]
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯ কার্তিক ১৪২৫, ১৩ নভেম্বর ২০১৮
bangla news

‘নেত্রী ইচ্ছা করলে নির্বাচন করবো’

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-১১-০৯ ৪:১৫:৩৬ পিএম
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও  সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম

ময়মনসিংহ: ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে নৌকার কাণ্ডারী কে হবেন এ নিয়ে দলীয় পরিমণ্ডলের বাইরেও চলছে আলোচনা। বিশেষ করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরুর পর এ নিয়ে সবার মধ্যে বাড়তি আকর্ষণ কাজ করছে।

শুক্রবার (০৯ নভেম্বর) সকালে সৈয়দ আশরাফ ও নিজের জন্য দু’টি মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ছোট ভাই মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম। 

১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিব ছিলেন। আর সৈয়দ আশরাফ কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। 

মূলত শারীরিক অসুস্থতার কারণেই সৈয়দ আশরাফ যদি শেষ পর্যন্ত নৌকার প্রার্থী হতে না পারেন, সেক্ষেত্রে স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন দেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের কনিষ্ঠ ছেলে সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম। 

অবশ্য বাংলানিউজকে তিনি বলেছেন, ‘সৈয়দ আশরাফের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে নেত্রী ভালো জানেন। তিনিই সিদ্ধান্ত নেবেন এ বিষয়ে। নেত্রী যদি ইচ্ছা প্রকাশ করেন তাহলে আমি নির্বাচন করবো।’ 

শুক্রবার (০৯ নভেম্বর) দুপুরে বাংলানিউজের সঙ্গে আলাপে এমন অভিমত প্রকাশ করেন সৈয়দ শাফায়েতুল। অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা হলেও রাজনীতিতে মোটেও নতুন নন তিনি। তৃণমূল রাজনীতিতেও অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। 

সেই কথা জানিয়ে বাংলানিউজকে তিনি বলেন, ‘আমি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে। জন্মের পর থেকেই রাজনীতি দেখেছি। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আমার বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলামের নির্বাচনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেছি’। 

‘আমি তখন দশম শ্রেণির ছাত্র। তখন নির্বাচনী এলাকা আরো বড় ছিলো। ২০০২ সাল থেকে আমি ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলাম। ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে আমি বড় ভাই সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ছিলাম। ভাই জাতীয় নেতা হওয়ায় স্থানীয়ভাবে কিশোরগঞ্জে দলীয় নেতা-কর্মীদের দেখভাল আমিই করতাম।’ 

তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের মনোনয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে নেত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। নেত্রী যাকে মনোনয়ন দেবেন তার জন্যই কাজ করবো।’  

একই আসন থেকে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের ছেলে রাসেল আহমেদ তুহিনের মনোনয়ন প্রত্যাশার বিষয়ে সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম বলেন, মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন নেত্রী। ফরম যে কেউ কিনতে পারেন। 

প্রসঙ্গত, ফুসফুসের ক্যান্সার সমস্যা ছাড়াও ডিমেনশিয়া (ভুলে যাওয়া রোগ) রোগে আক্রান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বর্তমানে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

রোববার (০৪ নভেম্বর) রাতে বাংলানিউজের সঙ্গে আলাপে সৈয়দ আশরাফের অসুস্থতা ও আপাতত তার রাজনীতিতে না ফেরার কথা জানিয়ে সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম বলেন, ‘সৈয়দ আশরাফ সুস্থ, এটা অপপ্রচার’। 

‘তিনি পুরোপুরি স্মৃতিশক্তি হারাননি। মাঝে মধ্যে সবাইকে চিনতে পারেন, আবার কখনো পারেন না। চিকিৎসকরা তাকে সুস্থ করে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।’  

বাংলাদেশ সময়: ১৬১৩ ঘণ্টা, নভেম্বর ০৯, ২০১৮ 
এমএএএম/জেডএস

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   আওয়ামী লীগ নির্বাচন
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache