bangla news

চৌধুরী আলম অপহৃত হয়েছেন: স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-০৭-১২ ১০:৫৩:০৮ পিএম

বিএনপির নেতা ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর চৌধুরী আলমকে অপহরণ করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার ১৭দিন পর মঙ্গলবার.....

ঢাকা: বিএনপির নেতা ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর চৌধুরী আলমকে অপহরণ করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার ১৭দিন পর মঙ্গলবার বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে একথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু।

তিনি বলেন, ‘অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে চৌধুরী আলম অপহৃত হয়েছেন। কারা, কখন, কিভাবে এবং কেন তাকে অপহরণ করেছে তা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

চৌধুরী আলমের পরিবারের পক্ষ থেকে করা এজহারের ভিত্তিতেই অনুসন্ধানকাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

ডিসিসি ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও রমনা থানা বিএনপির সভাপতি চৌধুরী আলম গত ২৫ জুন রাতে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকা থেকে নিখোঁজ হন।

র‌্যাবের সাদা পোশাকধারী সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে গেছে বলে তার পরিবার ও বিএনপির প থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনী শুরু থেকেই চৌধুরী আলমকে গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করে আসছে।  
 
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চৌধুরী আলমের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে সরকার। এভাবে একজন নির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নিখোঁজ হওয়া আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে।’

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত কোর কমিটির বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।  

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অপহৃত হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কথা বলা হতেই পারে। তাকে খুঁজে বের করতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

এর আগে সোমবার বিকেলে চৌধুরী আলমের পরিবারের সদস্যদের দেখতে খিলগাঁওয়ে তার বাসভবনে যান বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া।

চৌধুরী আলমের নিখোঁজ হওয়ার জন্য সরকারকে দায়ী করে এসময় খালেদা জিয়া বলেন, ‘সরকারই চৌধুরী আলমকে নিয়ে গেছে। কাজেই চৌধুরী আলম কোথায়, কীভাবে আছেন, সরকারকেই জানাতে হবে।’

তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, তা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগ অনেক গুপ্তহত্যা করেছেবলে উল্লেখ করে খালেদা বলেন,  ‘তারা(আওয়ামী লীগ)  এখন আবার গুপ্তহত্যা শুরু করেছে।’  

বিরোধী দলীয় নেত্রীর এই বক্তব্যের পরই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক ডাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, পুলিশের মহাপরির্দশক নূর মোহাম্মদ, র‌্যাব মহাপরিচালক হাসান মাহমুদ খন্দকারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সুত্রে জানা গেছে, বৈঠকে চৌধুরী আলম ছাড়াও সরকার দলীয় সাংসদ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা ও পুলিশ সার্জেন্টের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ও পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের ক্ষোভ প্রকাশ করে বিবৃতি, পুলিশের ৩১টি দাবি সম্বলিত ‘দাবি আদায়ের ডাক’ শিরোনামে লিফলেট বিতরণ এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের অকেজো গাড়ি পুলিশ বাহিনীকে দেওয়ার নির্দেশের খবর পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় পুলিশ বাহিনীতে অসন্তোষ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।  
বাংলাদেশের সময় ১৮৩৫ঘন্টা, ১৩ জুলাই, ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2010-07-12 22:53:08