bangla news

সরকারের বিরুদ্ধে দেশ অস্থিতিশীল করার অভিযোগ বিএনপির

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-১২-২৯ ৫:২৮:৪২ এএম

সরকার নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

ঢাকা: সরকার নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে দেশকে রক্ষা করতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, জমির উদ্দিন সরকার, আখতার হামিদ সিদ্দীকী, আমান উল্লাহ আমান, নাজিমুদ্দিন আলম ও হাবিবুন্নবী খান সোহেলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মনির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুলহক মিলন, ইলিয়াস আলী, প্রচার সম্পাদক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুক, যুবদল সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপি, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন ও ছাত্রদল সভাপতি সুলতান মারাউদ্দিন টুকু।

বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, হামলা, নির্যাতন, নিপীড়নের প্রতিবাদ জানিয়ে সভায় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘মামলা হামলা করে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না, জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘বিচারের রায়ের অপেক্ষা না করেই খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। জিয়াউর রহমানের ৪০ বছরের স্মৃতি মুছে ফেলতে, খালেদা জিয়ার মনোবল ভেঙে দিতে এবং বিএনপিকে দুর্বল করতে সরকার ষড়যন্ত্র করে এটি করেছে। সরকাররে পায়ের নিচে মাটি নেই বুঝতে পেরে তারা বিএনপিকে ধ্বংস করতে নেতা-কর্মীদের ওপর জুলুম নির্যাতন চালাচ্ছে।’

ড. খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার পরে ক্ষমতায় এসে একদলীয় বাকশাল কয়েম করেছিল। কিন্তু জনগণ তাদের ক্ষমতায় থাকতে দেয়নি। বর্তমান সরকারও দেশে বাকশাল কায়েমের যে ষড়যন্ত্র করছে জনগণ তাদেরও ক্ষমতায় থাকতে দেবে না।’

প্রতিবাদ সভায় তিনি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যে মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এর বিরুদ্ধে কথা বললেই সরকার বাধা দেয়, বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়। নির্বাচনের আগে ১০ টাকায় চাল খাওয়ানোর কথা বললেও এখন মোটা চালের কেজি ৩৮ টাকা, সয়াবিন ৯৭ টাকা, পামওয়েল ৬৬ টাকা, রসুন ১৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা। সবকিছুর দাম আগের থেকে দিগুন হওয়ায় মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, ‘প্রায় প্রতিদিনই বিএসএফ মানুষ মারছে, সিলেটের পদুয়া দখলে নিয়েছে ভারত। কিন্তু সরকার কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। একদিকে এর বিরুদ্ধে কথাও বলতে দিচ্ছে না, অন্যদিকে তাদের ব্যর্থতা স্বীকার করছে না। আজকে বিচার বিভাগসহ সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি ছেয়ে গেছে। টিআইবির রিপোর্ট সহ্য করতে না পেরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করছে। তারা (সরকার) আসলে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের স্বার্থ আদায়ের জন্য বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র বানানোর পাঁয়তারা করছে। সরকার দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে নিজেরাই উন্নতির পথকে বাধাগ্রস্থ করছে।’

বাংলাদেশ সময় : ১৫৩৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৯, ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2010-12-29 05:28:42