ঢাকা, মঙ্গলবার, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৩ জুলাই ২০১৯
bangla news

সিরাজগঞ্জে বিএনপি সাংসদের বাড়ি পুলিশের ঘেরাও, আইনজীবীদের নিন্দা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-১০-১৮ ১২:২৭:২০ পিএম

সিরাজগঞ্জ-২(সদর) আসনের বিএনপি’র সাংসদ রোমানা মাহমুদের বাড়ি সোমবার সন্ধায় পুলিশ ঘেরাও করে রাখে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধা ৭টা পর্যন্ত পুলিশ সেখানে অবস্থান করে।

সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জ-২(সদর) আসনের বিএনপি’র সাংসদ রোমানা মাহমুদের বাড়ি সোমবার সন্ধায় পুলিশ ঘেরাও করে রাখে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধা ৭টা পর্যন্ত পুলিশ সেখানে অবস্থান করে।

ট্রেন দূর্ঘটনায় হতাহতের মামলায় গ্রেফতারকৃতদের জামিনের ব্যাপারে শহরের হোসেনপুর মহল্লায় সাংসদের নিজ বাসভবনে আইনজীবিদের সঙ্গে এক আলোচনার সময় পুলিশ বাড়ির চারিপাশ ঘেরাও করে রাখে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোমানা মাহমুদ সাংবাদিকদের কাছে বলেন, মানসিকভাবে চাপে রাখা  ও নেতাকর্মীদের মনোবল দূর্বল করতে পুলিশ এ ধরনের আচরন করেছে।

তিনি বলেন, ‘আইনজীবিদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাকে চিঠি দিয়ে অবগত করা হয়। কিন্তু তারপরও হঠাৎ পুলিশের এ ধরনের আচরনে আমি সত্যিই খুবই মর্মাহত হয়েছি।’
 

এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জের  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ দেলোয়ার হোসেন সাঈদী বলেন, ‘ওই আলোচনায় ট্রেন দূর্ঘটনা মামলার আসামিরা উপস্থিত হয়েছে এমন তথ্য থাকায় পুলিশ সেখানে যায়।’

তিনি বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ বার কাউন্সিলের সভাপতি ইসমাইল হোসেন হাসু মোবাইল ফোনে তাদের বৈঠকের কথা জানানোর পর আমি পুলিশকে চলে আসার নির্দেশ দেই।’

উল্লেখ্য, সিরাজগঞ্জ বার কাউন্সিলের সভাপতি ইসমাইল হোসেন হাসু, সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের সভাপতি সাবেক পিপি রেজাউল করিম তালুকদার, সাধারন সম্পাদক মীর রুহল আমীন বাবু, সাবেক পিপি রফিক সরকার, আমান উল্লাহ মন্ডল, আব্দুল জব্বার, আবুল কাশেম, শাহানসহ প্রায় ৩৫ জন আইনজীবী ওই আলোচনায় অংশ নেন।

তারাও সাংবাদিকদের কাছে এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান।

প্রসঙ্গত: গত ১১ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে ঢাকা-সিরাজগঞ্জ-রাজশাহী রেল ও মহসড়কের পাশে সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ-মুলিবাড়ি রেলক্রসিং সংলগ্ন মাঠে ‘জেহাদ দিবস’ উপলে খালেদা জিয়ার এক ছাত্র গণ-জমায়েত অনুষ্ঠানের কাছে এক ট্রেন দুর্ঘটনায় কমপে ৭ জন মারা যায়। ওই সময় বিুব্ধ ছাত্রদল ও বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা ট্রেনে ভাংচুর করে ও আগুন ধরিয়ে দেয় এবং লুটপাট করে। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় সাত নেতাসহ প্রায় ১২ হাজার ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি’র নেতা-কর্মীর মামলা হয় এবং পুলিশ ও র‌্যাব ৫২ জনকে গ্রেফতার করে।

বাংলাদেশ সময় ২২১৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৮, ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2010-10-18 12:27:20