bangla news

আশুলিয়ায় বিএনপির ২৫০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পৃথক মামলা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-১০-১৭ ১:৩১:৩২ এএম

সাভারে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় আশুলিয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। এতে  বিএনপি নেতা সাবেক সাংসদ ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিনসহ প্রায় ২৫০ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

সাভার: সাভারে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় আশুলিয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। এতে  বিএনপি নেতা সাবেক সাংসদ ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিনসহ প্রায় ২৫০ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

একটি মামলার বাদী সালাউদ্দিনের প্রতিপক্ষ সদ্যঘোষিত আশুলিয়া থানা বিএনপির আহ্বায়ক মেজর (অব.) মিজানুর রহমানের একান্ত সহকারী সেন্টু মিয়া। অপর মামলাটি দায়ের করেছেন সাভারের পর্যটন করপোরেশনের জয় রেস্তোরাঁর ব্যবস্থাপক মতিউল করিম।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল বাংলানিউজকে মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এ দুটি মামলায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

সাভার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, সেন্টু মিয়ার দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান সালাউদ্দিন ছাড়াও বিএনপি নেতা ও পাথালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসগর হোসেন, সাভার পৌর কাউন্সিলর ও যুবদল নেতা এবং ঢাকা জেলা যুবদলের যুগ্মআহ্বায়ক খোরশেদ আলমসহ ২৩ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অপরদিকে, জয় রেস্টুরেন্টে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অজ্ঞাতনামা ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, লুটপাট ও ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মতিউল করিম বাংলানিউজকে বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।’ এর বেশি কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার সাভারে জাতীয় জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে কমিটি নিয়ে বিবদমান বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে দলের ১৫ নেতাকর্মী আহত হন। এ সময় পর্যটন করপোরেশনের জয় রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

এর আগে দেওয়ান সালাউদ্দিন মামলা প্রসঙ্গে বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের বিরুদ্ধেই মামলা করা হয়েছে।’

অপরদিকে, সালাউদ্দিনের বক্তব্য নাকচ করে দিয়ে মেজর মিজান বলেন, ‘এখন উদোরপিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’

ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও লুটপাটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।’

শিগগিরই দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গত দু’মাস আগে ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান মেজর (অব.) মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে আশুলিয়া থানা কমিটি ঘোষণার পর আশুলিয়ায় বিএনপির দলীয় কোন্দল প্রকাশ রূপ নেয়।

বাংলাদেশ সময়: ১১১৮ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৭, ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2010-10-17 01:31:32