bangla news

ইচ্ছাকৃত রোজা না রাখা ও ভাঙার বিধান

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৫-১০ ৫:৩৬:৩০ পিএম
...।

...।

প্রশ্ন: আমি একজন সাধারণ মানুষ। আমি আমার জীবনের কয়েক রমজানের রোজা রাখিনি। এ ছাড়া কয়েকটি রোজা রেখে অপারগ অবস্থায় আর কিছু ইচ্ছাকৃত ভেঙে ফেলেছি। বর্তমানে আমার অনুভূতি এসেছে। তাই আমি জানতে ইচ্ছুক, আমার করণীয় কী? —আহসানুল টুটুল, মিরপুর।

উত্তর: প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি রমজানের যত রোজা ছুটে গেছে তার জন্য তাওবা করবে এবং আনুমানিক হিসাব করে তার কাজা আদায় করতে হবে। কাজা লাগাতার করা আবশ্যকীয় নয়। বার্ধক্য বা কোনো কারণে কাজা না করতে পারলে ফিদিয়া দেবে। স্বাভাবিক অবস্থায় ইচ্ছাকৃত যত রোজা রেখে নষ্ট করা হয়েছে প্রত্যেক রোজার জন্য ভিন্ন ভিন্ন ৬০টি করে রোজা কাফফারা হিসেবে রাখতে হবে। রোজা রাখার সামর্থ্য না থাকলে প্রত্যেক রোজার জন্য এক ফিতরা পরিমাণ কাফফারা দেবে। (হিন্দিয়া : ১/২০৫, আদ্দুররুল মুখতার : ২/৪০৯, রদ্দুল মুহতার : ২/৪১২, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ২/৪৬৪)

সমাধান: ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৬ ঘণ্টা, মে ১০, ২০২০
এইচএডি/

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   নারায়ণগঞ্জ করোনা ভাইরাস
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অপার মহিমার রমজান বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2020-05-10 17:36:30