bangla news

রোজাদারের আনন্দ ইফতারে

ইসলাম ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৫-০৮ ৬:১৭:২৯ পিএম
ছবি : প্রতীকী

ছবি : প্রতীকী

ইফতার খুবই সহজ বিষয়। সূর্যাস্তের পর রোজাদার ব্যক্তি যে খাদ্য বা পানীয় গ্রহণ করে রোজা ভঙ্গ করেন, সেটাকেই ইফতার বলা হয়। ইফতার শব্দের অর্থ কোনো কিছু খেয়ে রোজা ভঙ্গ করা। এটি আরবি ‘ফুতুর’ শব্দ থেকে উদ্ভূত। ‘ফুতুর’ এর অর্থ নাশতা করা, হালকা খাবার খাওয়া।

ইফতার শব্দের অন্য অর্থ বিরতি, ভঙ্গ করা। ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর রোজা সমাপ্তির জন্য পানাহার করাকে ইফতার বলা হয়। সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে রাতের আগমন ঘটে। তখন ইফতার করার সময় হয়ে যায়। এ ব্যাপারে মহানবী (সা.)-এর নির্দেশনা হলো—ইফতারে বিলম্ব করা যাবে না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মানুষ যত দিন পর্যন্ত সময় হওয়ামাত্র ইফতার করবে, তত দিন কল্যাণের সঙ্গে থাকবে।’ (বুখারি, হাদিস নং: ২৮৫২)

মহানবী (সা.) আরো বলেছেন, ‘যত দিন মানুষ সময় হওয়ামাত্র ইফতার করবে, তত দিন দ্বীন বিজয়ী থাকবে। কেননা ইহুদি ও খ্রিস্টানরা ইফতারে দেরি করে।’ (আবু দাউদ, হাদিস নং: ২৩৫৫)

যেকোনো সময় রোজাদারের দোয়া কবুল হয়। বিশেষ করে ইফতারের সময়। কারণ ইফতারের সময়টা হলো আল্লাহর জন্য ধৈর্য ধারণের মুহূর্ত। এ সময় জাহান্নাম থেকে মুক্তিদানের মুহূর্ত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ইফতারের সময় আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বহু লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন। আর রমজানের প্রতি রাতে এটা করা হয়।’

ইফতারের পূর্বমুহূর্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দঘন মুহূর্ত রয়েছে। একটি হলো ইফতারের সময় (এ সময় যেকোনো নেক দোয়া কবুল করা হয়)। অন্যটি হলো (কেয়ামতের দিবসে) নিজ প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাতের সময়।’ (বুখারি ও মুসলিম)

রমজানবিষয়ক যেকোনো ধরনের লেখা আপনিও দিতে পারেন। লেখা পাঠাতে মেইল করুন:  bn24.islam@gmail.com

বাংলাদেশ সময়: ১৮১৬ ঘণ্টা, মে ০৮, ২০১৯
এমএমইউ

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অপার মহিমার রমজান বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-05-08 18:17:29