ঢাকা, শনিবার, ২২ আশ্বিন ১৪২৯, ০৮ অক্টোবর ২০২২, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

নিউইয়র্ক

মার্চকে বাংলার ঐতিহ্যের মাস ঘোষণা নিউইয়র্ক পার্লামেন্টে

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৪০ ঘণ্টা, মার্চ ২৯, ২০১৭
মার্চকে বাংলার ঐতিহ্যের মাস ঘোষণা নিউইয়র্ক পার্লামেন্টে আলবানিতে নিউইয়র্ক পার্লামেন্টে বাংলাদেশ ডে

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পার্লামেন্টে মার্চ মাসকে ‘বাংলাদেশি ঐতিহ্যের মাস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আর বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চকে ঘোষণা করা হলো নিউইয়র্কের বাংলাদেশ ডে হিসেবে।  

টানা ষষ্ঠবারের মত আলবানিতে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য পার্লামেণ্টের উভয় কক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন বসল বিশেষ অধিবেশন।

নিউইয়র্ক সিটিসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থান থেকে আলবানিতে জড়ো হয়েছিশেন দুই শতাধিক বাংলাদেশি।

তাদের পদচারণায় ২৮ মার্চ এই পার্লামেন্ট ভবন হয়ে উঠেছিলো বাংলাদেশময়।    


তাদের সবাইকে বিশেষ অভ্যর্থনা জানানো হয় সিনেট ও এ্যাসেম্বলি হলে।  

নিউইয়র্ক সিটি থেকে দেড়শ’ মাইল দূরের এই আলবেনিতে কেউ এসেছিলেন বাসে চেপে, কেউ নিজের গাড়িতে। গোটা দিনই বাংলাদেশি আমেরিকানরা নিজের দেশের করে নিয়ে ছিলেন নিউইয়র্ককে।  

নিউইয়র্কের স্টেট সিনেটর রুবিন দিয়াজ এবং স্টেট এ্যাসেম্বলীম্যান লুইস সেপুলভেদা বাংলাদেশিদের অকৃত্রিম বন্ধু বলেই পরিচিত। আর তাদের একান্ত আন্তরিকতায় সম্ভব হচ্ছে এই বিশেষ উদযাপন।  

যাতে উপস্থিত ছিলেন আরও চার জন সিনেটর। তারা  বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট উপস্থাপন করেন। তাতে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট হিসেভে মায়ের ভাষায় কথা বলার  অধিকার রক্ষার সংগ্রামের কথাও উঠে আসে।  

মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষার আন্দোলনে শহীদদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানায় নিউইয়র্ক পার্লামেন্ট।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র বাইবেল থেকে পাঠের পর পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়।  

এরপর দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ৬ বিশিষ্ট বাংলাদেশিকে অঙ্গরাজ্য পার্লামেন্ট থেকে বিশেষ ‘প্রক্লেমশন’ দেওয়া হয়। সমাজকর্মে বিশেষ অবদানের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে বাঙালি সংস্কৃতির লালন ও বিকাশে নিরন্তরভাবে সক্রিয় থাকায় এ ‘প্রক্লেমেশন’ পান কম্যুনিটি লিডার মোহাম্মদ এন মজুমদার, সমাজকর্মে  ‘পিপল এ্যান টেক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি’র প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। বাকিরা হচ্ছেন মোবাশ্বর হাশমী, সালেহউদ্দিন, মাহবুব আলম এবং ইঞ্জিনিয়ার এম এ  খালেক।  

স্টেট সিনেটর রুবিন দিয়াজ এবং এ্যাসেম্বলীম্যান লুইস সেপুলভেদা এ প্রক্লেমেশন তুলে দেন।  

এছাড়াও নিউইয়র্ক তথা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য স্থানে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতির আদলে প্রবাসে বিভিন্নভাবে সক্রিয় থাকা ১৩টি সংগঠনকেও জানানো হয় বিশেষ সম্মাননা।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল শামীম আহসান এতে অংশ নিয়ে অঙ্গরাজ্য পার্লামেন্টের সকল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান ।

অনুষ্ঠান সম্পর্কে আবুবকর হানিপ বাংলানিউজকে বলেন, এমন একটি আয়োজন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিটি বাংলাদেশির জন্য বিশেষ উৎসাহ ও উদ্দীপনার। যুক্তরাষ্ট্রের একটি পার্লামেন্ট তার উভয় কক্ষ একটি দিনের জন্য বাংলাদেশের করে রাখছে যা গর্বেরও বটে।  

তিনি বলেন, দিনটিতে আমরা সুদুর প্রবাসে এসে বাংলাদেশকে খুঁজে পেয়েছি।

বাংলাদেশ সময় ২১২৫ ঘণ্টা, মার্চ ২৯, ২০১৭
এমএমকে 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

নিউইয়র্ক এর সর্বশেষ

Alexa