ঢাকা, সোমবার, ১১ আশ্বিন ১৪২৯, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২৮ সফর ১৪৪৪

জাতীয়

হলুদ-মরিচে মেশানো হতো তুষ, রং আর ইটের গুঁড়ো!

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১২৪৩ ঘণ্টা, আগস্ট ১৯, ২০২২
হলুদ-মরিচে মেশানো হতো তুষ, রং আর ইটের গুঁড়ো!

কিশোরগঞ্জ: নিম্নমানের চাল, ধানের তুষ (কুড়া), ক্ষতিকর রং ও ইটের গুঁড়ো মেশানো হতো হলুদ ও মরিচের গুঁড়োয়। সেই হলুদ ও মরিচের গুঁড়ো বিক্রি করা হতো ভেজালমুক্ত বলে।

 

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দিনগত রাতে কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারে এমনই মিল ও গুদামের সন্ধান পায় উপজেলা প্রশাসন।

পরে ভৈরব বাজারের হলুদ পট্টিতে অভিযান চালিয়ে এসব অপরাধে একটি মিলের মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া অভিযানে একটি মিল ও চারটি গুদাম সিলগালা করা হয়েছে।  

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন-ভৈরব উপজেলার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নাছিমা বেগম ও ভৈরব থানা পুলিশের একটি দল।  

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে ভৈরব বাজারের হলুদ পট্টিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় একটি মিলে ১৫০০ কেজি ভেজাল হলুদ পাওয়া যায়। পরে মিল মালিক বাদল মোল্লাকে খুঁজে বের করে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ভেজাল হলুদ বিনষ্ট করে মালিককে সতর্ক করা হয়।  

অভিযানে একটি গুপ্ত মিলের সন্ধান পাওয়া যায়। যেখানে ভেজাল মিশ্রিত ৫০০ কেজি হলুদের গুঁড়ো, ৫০০ কেজি মরিচের গুঁড়ো এবং ২০ বস্তা ভর্তি পচা মরিচের সন্ধান মেলে। এসময় মিলে হলুদের সঙ্গে নিম্নমানের চাল, তুষ এবং মরিচের সঙ্গে ক্ষতিকর রং, ইটের গুঁড়ো মিশিয়ে গুঁড়ো করতে দেখা যায়। পরে ভেজাল পণ্যগুলো বিনষ্ট করে মালিকবিহীন মিলটি সিলগালা করা হয়। পাশাপাশি এ ধরনের ভেজাল পণ্য পাওয়ায় আরও চারটি গুদাম ঘর সিলগালা করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।  

বাংলাদেশ সময়: ১২৪২ ঘণ্টা, আগস্ট ১৯, ২০২২
এসআই

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa