ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ কার্তিক ১৪২৮, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

জাতীয়

বসুন্ধরা পূজামণ্ডপে দর্শনার্থীদের ঢল

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০১১৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৪, ২০২১
বসুন্ধরা পূজামণ্ডপে দর্শনার্থীদের ঢল পূজামণ্ডপ। ছবি: রাজীন চৌধুরী

ঢাকা: বসুন্ধরা সার্বজনীন পূজামণ্ডপে মহা অষ্টমী উপলক্ষে দর্শনার্থীদের ঢল নামে। ঢাকের বাদ্য, আলোকসজ্জায় উৎসব ছিলো জমজমাট।

 

বুধবার (১৩ অক্টোবর) রাতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসেছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।  তারা মণ্ডপে পৌঁছালে বসুন্ধরা পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।  

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর ডট কমের সম্পাদক জুয়েল মাজহার, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের সিইও নঈম নিজাম, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পরিচালক ইমদাদুল হক মিলন, ডেইলি সান সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী।  এর আগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী।  

মহা অষ্টমী উপলক্ষে বসুন্ধরা পূজামণ্ডপে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের ঢল নামে। বাহারি আলোকসজ্জায় মণ্ডপ প্রাঙ্গণ ছিলো সরব। ধূপ ধুনুচিতে সন্ধ্যা আরতি ছিল উপভোগ্য। আনন্দঘন মুহূর্তকে ধরে রাখতে ছবি তোলায় ব্যস্ত ছিলেন তরুণ-তরুণীরা।

মেয়র ও ডিএমপি কমিশনারের উপস্থিতিতে মণ্ডপ পরিদর্শনে বক্তব্য দেন ইমদাদুল হক মিলন।

তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব প্রাচীন ধর্মীয় উৎসবের একটি। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব এই দুর্গাপূজা। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমরা সবাই মিলে উৎসবে সামিল হবো।  
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে উৎসব আনন্দে আমরা সবাই অংশগ্রহণ করি। আমি দুর্গাপূজায় ঢাকও বাজিয়েছি। সবাই মিলে ধর্ম নিরপেক্ষ এ দেশকে গড়ে তুলতে হবে। উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় শ্মশান না থাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অসুবিধা হতো। এজন্য মিরপুরে পাইকপাড়ায় শ্মশান তৈরিতে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কাজ প্রায় শেষ, খুব দ্রুত উদ্বোধন করা হবে।

ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকার ১৫-২০টি পূজামণ্ডপে আমি গিয়েছি।  দেখেছি সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ। কুমিল্লার একটি ঘটনায় কিছু কুচক্রী মহল গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করেছে। আপনারা নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করবেন, নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের। দশমী পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের সব মণ্ডপে আমরা পুলিশ মোতায়েন করেছি। আপনাদের গায়ে হাত দেওয়ার আগে আমাকে আঘাত করতে হবে। পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পবিত্র সরকার বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবকে প্রাণবন্ত করে তুলতে আমরা চেষ্টা করেছি। মহামারির কারণে সর্বোচ্চ খেয়াল ছিল স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখায়। মানুষের অংশগ্রহণে সপ্তমী থেকেই মণ্ডপে উৎসব জমজমাটভাবে চলছে।  

বাংলাদেশ সময়: ০১১৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৪, ২০২১
এসই/এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa