ঢাকা, রবিবার, ৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

জাতীয়

যমুনার ভাঙনে দুই সপ্তাহে চৌহালীর ৫০ ঘরবাড়ি বিলীন

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৩৭ ঘণ্টা, জুলাই ১৬, ২০২১
যমুনার ভাঙনে দুই সপ্তাহে চৌহালীর ৫০ ঘরবাড়ি বিলীন

সিরাজগঞ্জ: যমুনার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার দক্ষিণাংশে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে এ অঞ্চলের ৫০টি ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

হুমকির মুখে রয়েছে অসংখ্য স্থাপনা।  

শুক্রবার (১৬ জুলাই) খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যমুনা নদীতে অব্যাহত পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চৌহালীর খাসপুখুরিয়া থেকে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ভুতের মোড় পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটারে ভাঙন দেখা গেছে। গত দুই সপ্তাহে অর্ধশত বসতভিটা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি ক্লিনিক, মসজিদ, মাদরাসা, বাজার ও কয়েক শত একর জমি নদীতে বিলীন হয়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, বিনানই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুম্ভুদিয়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, সুম্ভুদিয়া আজিজিয়া আলিম সিনিয়র মাদরাসা, সুম্ভুদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অসংখ্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষ চেয়ারম্যান আবদুল কাহহার সিদ্দিকী জানান, জুন মাসের শেষ দিক থেকেই এ অঞ্চলে ভাঙন শুরু হয়েছে। মাত্র দুই সপ্তাহে ৫০টি বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে গেছে। বিনানই সেতুটি অর্ধেক অংশের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যেকোনো সময় নদী গর্ভে চলে যাবে। চৌহালী দক্ষিণাঞ্চলকে রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী তীর সংক্ষরণ বাঁধের কাজ শুরু করতে হবে। কাজ না হলে স্কুল, ইউনিয়ন পরিষদ, কারিগরি কলেজ ও হাট-বাজারসহ বহু ঘরবাড়ি নদী গর্ভে চলে যাবে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (চৌহালীর দায়িত্বে) সিরাজুল ইসলাম জানান, বিনানই এলাকায় ভাঙনরোধে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং চলছে। এছাড়াও এ এলাকায় স্থায়ী নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধ প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।  

বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৪ ঘণ্টা, জুলাই ১৬, ২০২১
আরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa