ঢাকা, সোমবার, ৯ কার্তিক ১৪২৮, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

জাতীয়

ঈশ্বরদী-খুলনা রেলরুটের গার্ডার ব্রিজের সংস্কার কাজ শেষ

উপজেলা করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৫৮ ঘণ্টা, জুলাই ১৪, ২০২১
ঈশ্বরদী-খুলনা রেলরুটের গার্ডার ব্রিজের সংস্কার কাজ শেষ

পাবনা (ঈশ্বরদী): পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশি বিভাগীয় রেলওয়ের ঈশ্বরদী-খুলনা রেলরুটের ভেরামারা-মিরপুর রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যবর্তী শতবছরের পুরোনা ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের গার্ডার ব্রিজের সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৫৭ লাখ ৮৩ হাজার টাকা।

 

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা-মিরপুর রেলওয়ে সেকশনে শত বছরের পুরোনা ব্রিজটি ব্রিটিশ আমলের সময়ে তৈরি। ইটের মধ্যে চুন-সুড়কির গাঁথুনি শক্তি নষ্ট হয়ে বেডব্লক ভেঙে যাওয়ায় ব্রিজে ফাটল দেখা দিয়েছিল। ফলে ১০ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেনসহ ভারী মালবাহী ট্রেন ঝুঁকিতে চলতো।

বুধবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ঈশ্বরদী-খুলনা রেলরুটের কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ধুপইল ইউনিয়নে (বন্ধ) গোয়ালবাথান স্টেশনের অদূরে ১৯৯ নম্বর ব্রিজে অস্থায়ী সিসিক্লিভের রেললাইন সরিয়ে নতুন ঢালাই করা পিলারের বেডব্লকের উপর রেলাইন বসানোর কাজ শেষে ঈশ্বরদী থেকে দর্শনাগামী দুটি মালবাহী ট্রেন পারাপার করানো হয়েছে।
 
চলতি বছরের মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) অস্থায়ী ব্যবস্থাপনায় রেললাইন নির্মাণ করে সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছিল।  

সংস্কার কাজের শেষ দিনে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে পাকশি বিভাগীয় রেলওয়ের বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ বীরবল মণ্ডলের নেতৃত্বে সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী (চুয়াডাঙ্গা) হাবিবুর রহমান হাবিব, ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পথ) চুয়াডাঙ্গার শ্যামল কুমার দত্ত, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পূর্ত) সোহাগ রানা, রেলওয়ের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানে ঠিকাদার জহুরুল হক মালিথাসহ রেলওয়ে কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।  

পাকশি বিভাগীয় পরিবহন দফতর সূত্রে জানা যায়, ঈশ্বরদী-খুলনা রেলরুট দিয়ে ওই গার্ডার ব্রিজের উপর দিয়ে ঢাকাগামী আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস, সুন্দরবন এক্সপ্রেস, চিলাহাটিগামী রুপসা এক্সপ্রেস, সীমান্ত এক্সপ্রেস, রাজশাহীগামী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস, কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস, গোপালগঞ্জগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস, যশোরের বেনাপোলগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস, কলকাতাগামী মৈত্রী এক্সপ্রেসসহ দুইজোড়া মেইল ও লোকাল ট্রেন চলাচল করে। এছাড়া মালগাড়ি তেলবাহী ট্যাঙ্কার ঝুঁকিতে চলাচল করে আসছিল।  

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশি বিভাগীয় রেলওয়ে সহকারী প্রকৌশলী (চুয়াডাঙ্গা) হাবিবুর রহমান হাবিব বাংলানিউজকে জানান, ব্রিটিশ আমলের পুরোনো ইটের মধ্যে শুধু চুন-সুড়কি দিয়ে গার্ডার ব্রিজ নির্মিত ছিল। পুরোনো ব্রিজটি ভেঙে ব্রিজটিতে আরসিসি ফ্লোর করে গার্ডার ব্রিজের দুই পাশে অ্যাবার্টমেন্ট ওয়াল, ইটের গাঁথুনি করা হয়েছে। তার ওপরে আবার আরসিসি বেডব্লক করা হয়েছে। নতুন নির্মিত বেডব্লকের ওপর রেললাইনের গার্ডার বসানো শেষে রেললাইন সচল করার পর ট্রেনগুলো পারাপার করানো হচ্ছে।  
  
এইএন হাবিব জানান, এই রেলরুটের সব যাত্রীবাহী-মালবাহী ট্রেন ব্রিজে এসে থেমে যেত। ওপিটিতে ট্রেনের চালকের স্বাক্ষর করিয়ে ১০ কিলোমিটার গতিতে ঝুঁকি নিয়েই ১০ জোড়া আন্তঃনগর এবং মেইল-লোকাল ট্রেন পারাপার হতো। এতে ট্রেন বেশ বিলম্ব হতো এবং ঝুঁকিতে ট্রেনযাত্রী নিয়ে পারাপার হতো।  

বাংলাদেশ সময়: ১৭১৪ ঘণ্টা, জুলাই ১৪, ২০২১
এনটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa