ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ কার্তিক ১৪২৮, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

জাতীয়

জামালপুরে ঘরে ঘরে করোনার উপসর্গ, পরীক্ষাতে অনিহা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬৫২ ঘণ্টা, জুলাই ৩, ২০২১
জামালপুরে ঘরে ঘরে করোনার উপসর্গ, পরীক্ষাতে অনিহা ...

জামালপুর: জামালপুরের ৭টি উপজেলায় ঘরে ঘরে করোনা উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হচ্ছেন মানুষ। প্রতিটি বাড়িতে করোনার অন্যতম উপসর্গ জ্বর, ঠাণ্ডা ও গলা ব্যাথা রয়েছে।

তবে পরীক্ষাতে অনেকেই অনিহা প্রকাশ করছেন।

জামালপুরের ৭টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৬২ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ২৭২ কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রতিদিন গড়ে ৬ হাজার মানুষ চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। এদের মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশি মানুষ করোনার উপসর্গে ভুগছেন।

আইসোলেশন ও সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ভয়ে তারা করোনা পরীক্ষায় অনিহা প্রকাশ করেন। গত তিন দিনে ৫৯৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৩৭ জনের শরীরে করেনা শনাক্ত হয়েছে। জামালপুরের করোনা আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫১ জনের।

এ পর্যন্ত জামালপুরে করোনা পরীক্ষার সংখ্যা ২৫ হাজার ৭২৭ জন এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৯৭০ জন। জামালপুরের সবচেয়ে ঝুঁকির্পূণ হচ্ছে জামালপুর পৌরসভা ও সীমান্তবর্তী দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ।

সরকার ঘোষিত লকডাউন দেওয়ার পরেও প্রশাসনের শত চেষ্টায় ঘরে থাকছে না মানুষ। কারণে-অকারণে তারা বাড়ি থেকে বের হচ্ছে। গতকাল লকডাউনে ৪৪ জনকে আটক করার পরেও জনস্রোত থামাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রশাসনকে।

এদিকে জামালপুরের একমাত্র স্থলবন্দর ৫২ দিন বন্ধ থাকার পর চলমান কঠোর লকডাউন চলাকালে খুলে দেওয়ায় ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। এতে করে এ অঞ্চলে করোনা আক্রান্তের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে গেছে।

স্থলবন্দর চালু নিয়ে জামালপুরে জেলা প্রশাসক মুর্শেদা জামান বাংলানিউজকে জানান, স্থলবন্দর চালু রাখার বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্ত তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই স্থলবন্দরের কার্যক্রম পরিচলনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জামালপুরের পুলিশ সুপার নাসির উদ্দিন আহামেদ জানান, করোনা সংক্রমণের যে ঊর্ধ্বগতি সেটার রাশ টেনে ধরার জন্য মানুষকে সরকারি যেবিধিনিষেধ আছে সেটি মানতে বাধ্য করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হিসেবে সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী লকডাউন সফলতায় যে সব করণীয় যেমন, দোকানপাট বন্ধ রাখা, পণ্যবাহী ও রিকশা ব্যতীত অন্য কোনো গাড়ি না চলা, এমনকি বিনা প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ যেন ঘরের বাইরে বের না হয় সে বিষয়ে তাদের সর্বোচ্চ সচেতন করা, মাস্ক পরিধানে উদ্বুদ্ধ করা, জেলার প্রত্যেক বিটে মাইকিং করা এবং একইসঙ্গে আমরা এনফোর্সমেন্ট এর কাজটিও করছি।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৫১ ঘণ্টা, জুলাই ০৩, ২০২১
আরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa