ঢাকা, সোমবার, ২ কার্তিক ১৪২৮, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

জাতীয়

গেন্ডারিয়া-ধূপখোলা এলাকায় সুনসান নীরবতা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৯১৭ ঘণ্টা, জুলাই ১, ২০২১
গেন্ডারিয়া-ধূপখোলা এলাকায় সুনসান নীরবতা রাস্তায় কোনো গাড়ি নেই। ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা: সকাল সাড়ে আটটা৷ অন্যদিন এ সময় অফিসগামীদের বহন করা গাড়ির হর্ন আর রিকশার টুংটাং শব্দে কানপাতা দায় হয়ে পড়ে৷ অথচ বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) এ সময়ে সুনসান নীরবতা গেন্ডারিয়া-ধূপখোলা এলাকায়৷

বৃহস্পতিবার ভোর ছয়টা থেকে সারা দেশে শুরু হয়েছে কঠোর লকডাউন৷ যার কারণে সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস৷ সেসঙ্গে বন্ধ রয়েছে যন্ত্রচালিত সব যানবাহন৷

বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া সাতটার দিকে ধূপখোলা বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, হাতে গোনা কয়েকটি দোকান খুলেছে৷ সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক, ধূপখোলা বাজার স্থানান্তর করা হয়েছে পার্শ্ববর্তী ধূপখোলা মাঠে৷

সেখানকার সবজিবিক্রেতা মোস্তফা বাংলানিউজকে বলেন, এবারের লকডাউন শুনছি কড়া হবে৷ আর্মিও বলে নামবো৷ এজন্য বাজারে পাবলিক কম আসতে পারে৷ সেসঙ্গে বাজারের জায়গা চেঞ্জ করায় গুছাইতেও সময় লাগছে৷সকাল আটটার দিকে ধূপখোলা মোড় সংলগ্ন হোটেল ব্যবসায়ী আবুল বলেন, পার্সেল ছাড়া বিক্রি নিষেধ৷ আমার দোকানের বেশিরভাগ কাস্টমারই বসে খায়৷ ব্যবসা খুব ভালো হওয়ার কথা না৷

এদিকে গেণ্ডারিয়া ধুপখোলা এলাকায় সকাল সাতটা থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত যান্ত্রিক যানবাহন চলতে দেখা যায়নি৷ রাস্তায় রিকশা সংখ্যাও ছিল খুবই কম৷ অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এখন পর্যন্ত ঘর থেকে একটু বের হননি বলেই ধারণা করা যাচ্ছ৷

এলাকার ভেতরে মুদির দোকানগুলো আস্তে আস্তে খুলতে শুরু করেছে৷ গেন্ডারিয়ার দীননাথ সেন রোডের মুদি দোকানদার সেলিম বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই মানুষজন ঘরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনেছে৷ সকালে দোকান খুলেছি৷ দেখা যাক সারা দিন কেমন চলে৷

এদিকে যান চলাচল সীমিত রাখতে গেন্ডারিয়া এলাকার বিভিন্ন স্থানে বাঁশের ব্যারিকেডও দেওয়া হয়েছে৷দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সাতদিনের সরকারি ‘বিধি-নিষেধ বা কঠোর ‘লকডাউন’ শুরু হয়েছে। এই সাতদিন সব অফিস, যানবাহন ও দোকানপাট বন্ধ রেখে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সরকারি বিধিনিষেধ এবং মানুষের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে মাঠে টহলে থাকবে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, কোস্টগার্ড ও আনসার সদস্যরা।

অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ‘বিধিনিষেধের’ সময় বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না৷ পুলিশ জানিয়েছে, বিনা কারণে বাড়ির বাইরে গেলেই গ্রেফতার করা হবে।

বুধবার (৩০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মানুষের চলাচলে ‘বিধি-নিষেধ’ আরোপ করে ২১ দফা নির্দেশরা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

বাংলাদেশ সময়: ০৯১৫ ঘণ্টা, জুলাই ০১, ২০২১
ডিএন/এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa