ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮, ২৭ জুলাই ২০২১, ১৬ জিলহজ ১৪৪২

জাতীয়

প্রতিটি গ্রামে ট্যাংকি স্থাপন করে সুপেয় পানি: প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬৩১ ঘণ্টা, জুন ২২, ২০২১
প্রতিটি গ্রামে ট্যাংকি স্থাপন করে সুপেয় পানি: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: প্রতিটি গ্রামে ট্যাংকি স্থাপন করে সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের প্রান্তিক অঞ্চল বা গ্রামগুলোকে শহরের রূপ দেওয়ার নির্দেশনার অংশ এটি।

শুধু টিউবওয়েল স্থাপন নয়, ভূ-উপরিস্থিত পানি সংরক্ষণের জন্যও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

 মঙ্গলবার (২২ জুন) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) ভার্চুয়াল সভায় তিনি এই নির্দেশ দেন। বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।  

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রামের মায়েদের সুপেয় পানি দিতে ট্যাংকি স্থাপনের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। পানির ট্যাংকি আমাদের কাছে কিন্তু পরিচিত শব্দ। ফকিরাপুলের পানির ট্যাংকি সবার চেনা। একইভাবে গ্রামে গ্রামে সুপেয় পানি সরবরাহের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। গ্রামে শহরের পরিবেশ দেওয়া হবে। এর জন্য দেশব্যাপী মেগা প্রকল্প নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে যে সব প্রকল্প নেওয়া হবে তা জেনে-বুঝে এমনকী না বুঝেও দ্রুত পাস করা হবে। গ্রামে সুপেয় পানি দিলে মানুষের রোগ-বালাই কম হবে। রোগ-বালাই কম হলে কাজ করার শক্তি বাড়বে ফলে দেশের উন্নয়ন আরো বেগবান হবে। বৃষ্টির পানি পিওর পানি। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করতে হবে।

২৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘গোপালগঞ্জ জেলার পল্লী এলাকার নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০২১ সালের জুলাই থেকে প্রকল্পটি ২০২৩ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। লবণাক্ত এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজধানীর যানজট নিরসনে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থেকে মদনপুর পর্যন্ত ৪৮ কিলোমিটার ঢাকা বাইপাস সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে। চলমান এই প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে ১৮৫ দশমিক ৩০ শতাংশ।

একই সঙ্গে মেয়াদ বাড়ছে আরও ৪ বছর। মূল প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ২৩৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৬৭৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। প্রকল্পটি মার্চ ২০১৬ থেকে জুন ২০২০ সাল মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য ১ মার্চ ২০১৬ তারিখে একনেক সভায় অনুমোদন করা হয়। নতুন করে প্রকল্পের মেয়াদ জুন ২০২৪ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩০ ঘণ্টা, জুন ২২, ২০২১
এমআইএস/এএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa