ঢাকা, রবিবার, ৪ বৈশাখ ১৪২৮, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৫ রমজান ১৪৪২

জাতীয়

খুলনায় দেড় লাখ ক্ষুদে কণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৩৭ ঘণ্টা, মার্চ ৭, ২০২১
খুলনায় দেড় লাখ ক্ষুদে কণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ

খুলনা: খুলনায় এক লাখ ৫০ হাজার ১৫১ জন শিশু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সমাবেশ ও ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ উপস্থাপন (অনুকৃতি) করেছে।

রোববার (৭ মার্চ) বিকেলে মহানগরের বয়রাস্থ খুলনা সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং চাইল্ড ইন্টিগ্রিটি ও শিশু বঙ্গবন্ধু ফোরামের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বঙ্গবন্ধু সমাবেশ ও ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ উপস্থাপন করা হয়।

ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর মতো একই ভঙ্গিতে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ১৯ মিনিটের ভাষণ প্রদান করে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জুম ওয়েবিনারের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত হন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

জেলা প্রশাসন জানায়, মূল অনুষ্ঠানস্থলে মহানগরের শ্রেষ্ঠ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে নির্বাচিত ১৫১ জন শিশু বঙ্গবন্ধুর (ক্ষুদে শিক্ষার্থী) কণ্ঠে এবং একইসঙ্গে সমগ্র জেলা থেকে জুম ওয়েবিনারে সংযুক্ত এক লাখ ৫০ হাজার জন শিশু বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠে একযোগে বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ যে সময়ে ভাষণ দিয়েছিলেন ঠিক একই সময়ে জেলাব্যাপী সমস্বরে ধ্বনিত হয় বঙ্গবন্ধুর সেই কালজয়ী ভাষণ।  

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ ৭ মার্চ। যেদিন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিল। সে ডাক থেকেই বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালেই স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম হয়েছিল বলেই স্বাধীনতার সূর্য উদিত হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক ক্ষণকে লক্ষাধিক ক্ষুদে বঙ্গবন্ধু আবারও স্মরণীয় করে রাখলো। এটি সারা বাংলাদেশের ভেতরে একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন। ক্ষুদে শিশুরা সঠিক ইতিহাস জানুক এটাই কাম্য সবার। এখান থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে তারা একদিন বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তারাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবে যেখানে কোনো দুর্নীতি, শোষণ, নিপীড়ন থাকবে না।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলমগীর কবির, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডেভোকেট সুজিত অধিকারী, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান ভূঞা, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ও মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক শফিকুর রহমান পলাশ প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৬ ঘণ্টা, মার্চ ০৭, ২০২১
এমআরএম/আরবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa