ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৬ কার্তিক ১৪২৭, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

জাতীয়

‘করোনায় শ্রমিক বাঁচাতে দশ প্রস্তাবনা’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬০৯ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৮, ২০২০
‘করোনায় শ্রমিক বাঁচাতে দশ প্রস্তাবনা’

ঢাকা: দ্বিতীয় দফায় বৈশ্বিক মহামারি করোনায় শ্রমিক বাঁচাতে দশ প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ সংযুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে সংগঠনটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রস্তাবনার কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বৈশ্বিক মহামারি করোনা দ্বিতীয় দফায় আরও শক্তিশালী হয়ে জেকে বসতে পারে। এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অত্যন্ত সচেতন থেকে এ কঠিন দিন পার করতে হবে। গত কয়েক মাসে আমরা ঝুঁকি নিয়ে পোশাকশিল্প শ্রমিকসহ বিভিন্ন সেক্টরের শ্রমজীবীরা কাজ অব্যাহত রেখেছে পক্ষান্তরে করোনায় ব্যাপক সংখ্যক শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন।

দেশের অর্থনীতি গতিশীল রাখতে চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের কাজে ফিরিয়ে আনতে হবে। বন্ধ হয়ে যাওয়া ছোট-বড় অনেক শিল্প কারখানা খোলার উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি শতভাগ আপদকালীন মহার্ঘ্য ভাতা, স্থায়ী রেশনিং ব্যবস্থা করাসহ ১০টি প্রস্তাবনা দিয়েছে সংযুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন।

প্রস্তাবনাগুলো হলো- পণ্যের দাম সীমাহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে পোশাকশিল্প শ্রমিকদের অবিলম্বে আপদকালীন শতভাগ মহার্ঘ্য ভাতা দেওয়া ও নিম্নআয়ের মানুষের নিত্য পণ্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে বাজার মূল্য নিশ্চিত করতে হবে, চাকরিতে যোগদানের ৬ মাসের মধ্যে পোশাক শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ীকরণ করতে হবে, চাকরির মেয়াদ ৬ মাস অতিবাহিত হলেই পূর্ন সার্ভিস বেনিফিট দিতে হবে,  শ্রমিক ছাঁটাই লিখিতপত্রের মাধ্যমে করতে হবে অন্যথায় কর্তৃপক্ষকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির বিধান করতে হবে, মৌখিক ছাঁটাইয়ের মামলা খারিজ করা চলবে না, দু’শত টাকার মধ্যে শ্রমিকদের পূর্ণ পারিবারিক রেশনিং ব্যবস্থা করতে হবে, পোশাকশিল্প নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের হাত থেকে শ্রমিক ও শিল্প রক্ষা করে দেশের অর্থনীতির সূচক বাড়ানোর হার আরও বেগবান করতে হবে, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষন, রাষ্ট্রীয় কোষাগার লুণ্ঠন, বিদেশে অর্থ ও মানবপাচার এবং দুর্নীতিবাজদের স্বল্পসময়ের মধ্যে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন কার্যকর করে অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন করার সুযোগ দিতে হবে। ট্রেড ইউনিয়নের কর্মী/সদস্যদের ওপর হয়রানি বন্ধ করতে হবে ও অবৈধ সব বিদেশি শ্রমিকদের বহিষ্কার করে দেশীয় বেকার শ্রমিকদের নিয়োগ দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিল্প কারখানায় আইন-শৃংঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ বিদেশি শ্রমিকদের গ্রেফতার ও বিদেশে অর্থ-পাচার বন্ধ করতে হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬০০ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৮, ২০২০
ইএআর/ওএইচ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa