ঢাকা, সোমবার, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯ সফর ১৪৪২

জাতীয়

চালু করা যেতে পারে সেলুনভিত্তিক লাইব্রেরি: কে এম খালিদ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৪৯ ঘণ্টা, আগস্ট ৯, ২০২০
চালু করা যেতে পারে সেলুনভিত্তিক লাইব্রেরি:  কে এম খালিদ সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ/ ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, মানুষ সেলুনে গিয়ে হাতের সামনে পাওয়া বই-পুস্তক, পত্রিকা কিংবা কাগজপত্র উল্টেপাল্টে দেখে। সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বই, বিশেষ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু রচিত তিনটি বই সরবরাহের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে সেলুনভিত্তিক লাইব্রেরি চালু করা যেতে পারে।

 

সোমবার (০৯ আগস্ট) রাজধানীর গুলিস্তানের জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের সভাকক্ষে মুজিববর্ষ ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী লালমনিরহাট জেলার একটি সেলুন লাইব্রেরির উদাহরণও তুলে ধরেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা তিনটি গ্রন্থ হলো ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’।

‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই’ শিরোনামে ঢাকা মহানগরের ১০টি বেসরকারি গ্রন্থাগারের সহযোগিতায় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চার মাসব্যাপী পাঠ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

কে এম খালিদ বলেন, মুজিববর্ষ ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রন্থসমূহকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে যে পাঠ কার্যক্রমের উদ্যোগ নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে নতুন, সৃজনশীল ও প্রশংসনীয় কর্মসূচি। প্রাথমিকভাবে ১০টি বেসরকারি গ্রন্থাগারের সহযোগিতায় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ১৫০ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এটি শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ পাঠ কার্যক্রমকে সরকারি অনুদান প্রাপ্ত ৮০০টি গ্রন্থাগারের সহযোগিতায় সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নতুন টাকার গন্ধ যেমন আমাদের আকর্ষণ করে, তেমনি নতুন বইয়ের গন্ধও আমাদের আকর্ষণ করে।

আয়োজনে প্রতিমন্ত্রী পারিবারিক লাইব্রেরি স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রাথমিকভাবে ১০টি বেসরকারি গ্রন্থাগারের সহযোগিতায় ১০০টি বই ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক বুক শেল্ফ বা শোকেজ সরবরাহের মাধ্যমে ১০টি আদর্শ পারিবারিক লাইব্রেরি স্থাপন করার কথাও উল্লেখ করেন।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. বদরুল আরেফীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ডা. মফিদুল হক, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন ও পরিকল্পনা) মো. আব্দুল মান্নান ইলিয়াস ও অতিরিক্ত সচিব (সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য) সাবিহা পারভীন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৪৮ ঘণ্টা, আগস্ট ০৯, ২০২০
এইচএমএস/এইচএডি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa