ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ সফর ১৪৪২

জাতীয়

রামুতে মুফতি মুর্শিদুল আলমের জানাজায় মানুষের ঢল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪২৮ ঘণ্টা, আগস্ট ৩, ২০২০
রামুতে মুফতি মুর্শিদুল আলমের জানাজায় মানুষের ঢল মুফতি মুর্শিদুল আলমের জানাজায় মানুষের ঢল/ছবি: বাংলানিউজ

কক্সবাজার: কক্সবাজার জেলার বিশ্ববরেণ্য আলেমেদ্বীন ও রামুর অফিসেরচর ইসলামিয়া কওমিয়া কাছেমুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মওলানা মুফতি মুর্শিদুল আলম চৌধুরীর জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।  

সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় রামু খিজারী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নামাজে জানাজায় শরিক হয় লাখো মানুষ।

বিশাল জানাজায় ইমামতি করেন, মওলানা মুফতি মুর্শিদুল আলম চৌধুরীর একমাত্র ছেলে মওলানা হাফেজ তারেক।

জানাজা আগে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম হাটহাজারী মাদ্রাসার মুফতি ও মুহাদ্দিস এবং তাবলিগ জামাতের চট্টগ্রাম জেলা আমীর মুফতি জসিম উদ্দিন, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ সাইমুম সরওয়ার কমল, রামু উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল, চট্টগ্রাম জামিয়া দারুল মা’আরিফ আল-ইসলামিয়ার উপাধ্যক্ষ মওলানা ফুরকানুল্লাহ খলীল, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি কক্সবাজার জেলা আমির মওলানা হাফেজ ছালামতুল্লাহ, কাকরাইল মসজিদের প্রতিনিধি মওলানা বেলায়ত হোসাইন, রামুর প্রবীন আলেমদ্বীন হাফেজ আবদুল হক, রাজারকুল আজিজুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মওলানা মোহছেন শরীফ, মরহুমের ছোট ভাই রামু চৌমুহনী বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল আলম চৌধুরী, রামুর অফিসেরচর এমদাদিয়া ইসলামিয়া কওমিয়া কাছেমুল উলুম মাদ্রাসার প্রতিনিধি মওলানা আ হ ম নুরুল কবির হিলালী, ইসলামী ছাত্রসমাজের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর প্রমুখ।

জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

মওলানা মুফতি মুর্শিদুল আলম চৌধুরী রোববার (২ আগস্ট) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের সিপাহীরপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি রামুর বিশিষ্ট জমিদার মরহুম সুলতান আহমদ সওদাগরের ৭ম ছেলে। তার বয়স হয়েছিলো ৬৫ বছর। তিনি কয়েকদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ মেয়ে, ১ ছেলে এবং অসংখ্য ভক্ত, গুণগ্রাহী রেখে যান।  

মওলানা মুফতি মুর্শিদুল আলম চৌধুরী বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের জাতীয় মজলিসে সূরা সদস্য এবং কক্সবাজার জেলা তাবলিগ জামাতের আমির (জিম্বাদার)। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে প্রসিদ্ধ মুবাল্লিগ। তাবলিগের জামাতের দাওয়াত প্রচার করতে গিয়ে তিনি বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশে ভ্রমণ করেছেন।  

তিনি দীর্ঘদিন রামুর ঐতিহ্যবাহী ফতেখাঁরকুল অফিসেরচর ইসলামিয়া কওমিয়া কাছেমুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এ মাদ্রাসা জামে মসজিদেই তিনি মৃত্যুর আগেরদিন (শনিবার) তিনি পবিত্র ঈদুল আজহা এবং দুই দিন আগে পবিত্র জুমার নামাজে ইমামতি করেন। তিনি রামু ইসলামী সম্মেলন পরিষদের সভাপতি ছিলেন। এছাড়া তিনি অনেক ধর্মীয়, সেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন।  

বাংলাদেশ সময়: ১৪২৩ ঘণ্টা, আগস্ট ৩, ২০২০
এসবি/এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa