ঢাকা, রবিবার, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৯ আগস্ট ২০২০, ১৮ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

রাজশাহীতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ শুরু, তদারকিতে মেয়র

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯৪২ ঘণ্টা, আগস্ট ১, ২০২০
রাজশাহীতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ শুরু, তদারকিতে মেয়র কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হচ্ছে

রাজশাহী: ঈদের দিন শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর থেকেই রাজশাহীতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান নিজেই এ কার্যক্রম মনিটরিং করছেন।

এবারও পরিচ্ছন্ন বিভাগের সব (কেন্দ্রীয় ও ওয়ার্ড) পর্যায়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ঈদের দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সব কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঈদের দিন কন্ট্রোলরুমও খোলা হয়েছে। এর মাধ্যমে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে।

বর্তমানে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রায় দেড় হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। রাতেই মহানগর এলাকা থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন।

বিকেলে সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কার্যক্রম দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ঈদের দিনের আনন্দ ভুলে কাজ করার জন্য পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান। রাসিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বর্জ্য অপসারণ কাজের গতি দেখে মেয়র আশা প্রকাশ করেন- রাতের মধ্যেই সব বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হবে।  

এর আগে গত ২৬ জুলাই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ বিষয়ক এক সভায় সিটি মেয়র লিটন বলেছিলেন, ঈদের দিন রাতের মধ্যেই মহানগর এলাকার কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ করা হবে। ঈদের পরদিন পরিচ্ছন্ন শহর পাবেন মহানগরবাসী। সে অনুযায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজ চলছে। নিজ নিজ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর এ বর্জ্য অপসারণ কাজ পর্যবেক্ষণ করছেন।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সরিফুল ইসলাম বাবু বলেন, কোরবানির কাজ দুপুরের মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। এর পর পরই রাসিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা তাদের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছেন। খোদ সিটি মেয়র এ কাজটি মনিটরিং করছেন। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে তিনি ও রাসিকের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মামুন ডলার এ কাজ তদারকি করছেন। কোথাও কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রথমে মহানগরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে প্রতিটি ওয়ার্ডের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে রাখছেন। সন্ধ্যার পর থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে সেখান থেকে সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত বর্জ্য ভাগাড়ে ফেলা হবে। রাত ২টার মধ্যেই শহর থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের টার্গেট রয়েছে তাদের।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ০১, ২০২০
এসএস/আরবি/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa