ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৪ আগস্ট ২০২০, ২৩ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থায়ী প্রকল্প নেওয়া হবে

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮০৩ ঘণ্টা, জুলাই ৯, ২০২০
নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থায়ী প্রকল্প নেওয়া হবে

টাঙ্গাইল: পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেন, টাঙ্গাইলসহ সারা বাংলাদেশে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থায়ী প্রকল্প নেওয়া হবে। নিচু বাঁধ উঁচু ও প্রশস্ত করা হবে। যাতে করে মানুষ স্থায়ী প্রতিরক্ষমূলক ব্যবস্থার কারণে নদী ভাঙন ও বন্যার কবল থেকে রক্ষা পাবে।

বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের যমুনা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বেলটিয়া গ্রাম পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বেলটিয়া গ্রামে নদী ভাঙনে ঘর-বাড়িহারা মানুষকে সরকারি উদ্যোগে পুর্নবাসন করা হবে।

নদীর পানি শুকিয়ে গেলে নদী ড্রেজিংয়ের বালি দিয়ে ভাঙনকবলিত এলাকাটি ভরাট করে যার যেখানে ঘর-বাড়ি ছিল সেখানেই তাদের ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হবে সরকারি উদ্যোগে। এছাড়া হাওড় অঞ্চলে বাঁধের কাজ করার ফলে কৃষক শতভাগ ধান ঘরে তুলতে পেরেছে।  

তিনি বলেন, আগামী ২০২১ সালের মধ্যেই পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হবে। কর্ণফুলী ট্যানেল হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বেড়েছে।

এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমান খান সোহেল হাজারী, জেলা প্রশাসক আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলামসহ আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় উপমন্ত্রী নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭টি পরিবারের প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ১০ হাজার করে টাকা ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ের দ্বিতীয় রক্ষা বাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই গত কয়েকদিন আগে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বাঁধের ব্লক ভেঙে বেলটিয়া গ্রামের বেশ কয়েকটি ঘড়-বাড়ি যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪৪ ঘণ্টা, জুলাই ০৯, ২০২০
এনটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa