ঢাকা, রবিবার, ৫ আশ্বিন ১৪২৭, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১ সফর ১৪৪২

জাতীয়

‘রিজেন্ট হাসপাতালের দুর্নীতি তদন্ত করবে দুদক’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৪৮ ঘণ্টা, জুলাই ৯, ২০২০
‘রিজেন্ট হাসপাতালের দুর্নীতি তদন্ত করবে দুদক’

ঢাকা: বিতর্কিত রিজেন্ট হাসপাতালের দুর্নীতি তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়মের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে।

আমরা এ বিষয়ে তদন্ত করবো।

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদর দুর্নীতির অনুসন্ধান অচিরেই শুরু হবে বলেও জানান দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত।

তিনি আরও বলেন, অনুসন্ধানের স্বার্থে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কারো নাম জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসলে তাদেরও তলব করা হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে মেডিটেক ইমেজিং লিমিটেডের পরিচালক মো. হুমায়ুন কবিরকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সচিব। এদিন লেক্সিকোন মার্চেন্ডাইজ ও টেকনোক্র্যাট লিমিটেডের মালিক মো. মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে দুদক। তিনি উপস্থিত না হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আছে জানিয়ে একটি চিঠি পাঠান দুদকে।

দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি দল জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। দলেল অন্যান্য সদস্যরা হলেন দুদকের উপ-পরিচালক নুরুল হুদা, সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান ও আতাউর রহমান।

এর আগে মাস্ক-পিপিই ক্রয় দুর্নীতির অভিযোগে বুধবার জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং তমা কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কোং লিমিটেডের সমন্বয়কারী (মেডিক্যাল টিম) মো. মতিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। সংস্থাটি একই অভিযোগে বুধবার তলব করে অ্যালান করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিনকে। তবে করোনায় আক্রান্তের কারণ দেখিয়ে হাজির না হয়ে সময় চান।

এর আগে গত ১ জুলাই স্বাস্থ্যখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই পাঁচ ঠিকাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তলব করা হয়৷ তাদের নির্ধারিত দিনে দুদকে হাজির হয়ে রেকর্ডপত্রসহ বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। নির্ধারিত সময়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে ব্যর্থ হলে বর্ণিত অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেই বলে গণ্য করা হবে।

দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর স্বাক্ষরিত অতি জরুরি তলবি নোটিশে  বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসার নিমিত্ত নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্য স্বাস্থ্য সরঞ্জামাদি ক্রয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের নামে অন্যদের যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে বর্ণিত অভিযোগ বিষয়ে তাদের বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৪৬ ঘণ্টা, জুলাই ০৯, ২০২০
ডিএন/এএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa