ঢাকা, শনিবার, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৮ আগস্ট ২০২০, ১৭ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

পটুয়াখালী নো মাস্ক, নো সার্ভিস ক্যাম্পেইন

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২১০৭ ঘণ্টা, জুলাই ৬, ২০২০
পটুয়াখালী নো মাস্ক, নো সার্ভিস ক্যাম্পেইন

পটুয়াখালী: বৈশ্বিক মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও মোকাবিলায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী বাইরে বের হলে মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পটুয়াখালীতে নো মাস্ক - নো সার্ভিস ('মাস্ক নাই, সেবাই নাই') ক্যাম্পেইন শুরু করেছে পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরাম ও ফোকাস ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে দুটি প্রতিষ্ঠান।  

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে পটুয়াখালী জেলা শহরের কোর্ট এলাকা থেকে ক্যাম্পেইন শুরু করে প্রতিষ্ঠান দুটির সদস্যরা।

এসময় জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. তারিকুজ্জামান মনি, অ্যাড. আল আমিন হাওলাদার ও ফোকাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক মেহেদী হাসান শিবলী উপস্থিত ছিলেন।      

বড় আকারে স্টিকার লাগানো ও বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণের মাধ্যম জনসাধারণকে ঘরের বাইরে বের হলে মাস্ক পরতে উৎসাহিত এবং এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তারা।

এসময় সরকারি ও বেসরকারি সেবা দাতা প্রতিষ্ঠান ও দোকান এবং হাটবাজারে খোলা দোকানে স্টিকার লাগানো হয় এবং সংশ্লিষ্টদের সচেতন করা হয়। সরকারি অফিস, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফার্মেসি, বাসস্ট্যান্ড, বাস ও অ্যাম্বুলেন্স, ব্যাংক, মুদি দোকান ও টেলিকম সেবাসমূহে স্টিকার লাগানো হয়েছে।

সেবা দাতা ও সেবা গৃহিতাদের মাস্ক পরা ছাড়া সেবা প্রদান ও সেবা গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করা হয়। এসময় অনেক ব্যবসায়ী এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং সাড়া দিয়েছেন।

পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের নির্বাহী পরিচালক মো. হাসিবুর রহমান বলেন, আমরা উপলব্ধি করেছি সরকার করোনা মোকাবিলায় প্রতিনিয়ত কঠোর নির্দেশনা জারি করছে। কিন্তু প্রান্তিক পর্যায়ে মানুষ তেমন অনুসরণ করছে না। বাংলাদেশের মানুষ নানান প্রয়োজনে বাইরে বের হলেও মাস্ক পরছে না, কিন্তু মাস্ক হলো করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রথম দিকের কার্যকর পদ্ধতি। তাই আমরা এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

ফোকাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক মেহেদী হাসান শিবলী বলেন, তরুণদের মাধ্যমে বড় বড় পরিবর্তন সম্ভব। আমরাও এই সংকটকালে মানুষকে সচেতন করতে এগিয়ে এসেছি। পটুয়াখালী জেলায় বর্তমানে সংক্রমণ দিনদিন রকেট গতিতে বাড়ছে এবং এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সচেতন হওয়া ছাড়া উপায় নাই।

পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আমরা পর্যায়ক্রমে জেলার সব উপজেলায় এ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবো। যাতে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী জনসাধারণ মাস্ক পরে চলাফেরা করে।

বাংলাদেশ সময়: ২১০৫ ঘণ্টা, জুলাই ০৬, ২০২০
আরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa