ঢাকা, রবিবার, ৫ আশ্বিন ১৪২৭, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১ সফর ১৪৪২

জাতীয়

ঘোড়াশাল রি-পাওয়ারিং (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের অনুমোদন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭০৪ ঘণ্টা, জুলাই ৬, ২০২০
ঘোড়াশাল রি-পাওয়ারিং (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের অনুমোদন ফাইল ছবি

ঢাকা: ঘোড়াশাল ৩য় ইউনিট রি-পাওয়ারিং (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের অনুমোদেন দেওয়া হয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায়।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিদ্যমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা আরো ২৬০ মেগাওয়াট বৃদ্ধি পাবে। এ জন্য প্রকল্পটিতে মোট ২ হাজার ৯৫৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়।

জানুয়ারি ২০১৫ থেকে চলমান প্রকল্পটি ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

সোমবার (০৬ জুলাই) শেরে বাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন একনেক চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান উপস্থিত ছিলেন। পরে একনেক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নিয়ে একনেক সভার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ঘোড়াশাল ৩য় বিদ্যুৎ ইউনিটকে রি-পাওয়ারিং করে এর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২১০ মেগাওয়াট থেকে ৪১৬ মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে। গ্যাসের দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যামে ইউনিট প্রতি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করা ছাড়াও বিদ্যুৎ প্ল্যান্টের দক্ষতা ৩৪ শতাংশ থেকে ৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি করা হবে। গ্যাস টারবাইনের নির্গত গ্যাস পুনর্ব্যবহার করে বায়ু দূষণ হ্রাস করাসহ পুরাতন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কার্যকাল (লাইফ টাইম) বৃদ্ধি করা হবে। ফলে দেশে লোড শেডিং কমবে।

২৬০ মেগাওয়াট গ্যাস টারবাইন জেনারেটিং ইউনিট, গ্যাস বুস্টার কমপ্রেসার এবং অক্সিলারিজসহ ডিজেল জেনারেটর সেট স্থাপন করা হবে। বর্তমানে ঘোড়াশালে ২১০ মেগাওয়াট স্টিম টারবাইন জেনারেটিং ইউনিটের ব্যবস্থা রয়েছে।

একনেক সভায় ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপলাইন (২য়  সংশোধিত) প্রকল্পেরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমদানিকৃত ক্রুড অয়েল ও ফিনিসড প্রোডাক্টস সহজে খালাস নিশ্চিত করাসহ ক্রুড অয়েল ও এইচএসডি (হাই স্পিড ডিজেল) খালাসকরণের সময় কমানো হবে। ১ লাখ ২০ হাজার ডিডব্লিউটি (ডেড ওয়েট টনেজ) ক্রুড অয়েল ট্যাংকার খালাসকরণের ব্যাপ্তি হবে ৪৮ ঘণ্টা এবং ৭০ হাজার ডিডব্লিউটি এইচএসডি ট্যাংকার খালাসকরণের ব্যাপ্তি হবে ২৮ ঘণ্টা।

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ক্রুড অয়েল প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা; এটি ইআরএল’র বাৎসরিক প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন থেকে ৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টনে বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

নভেম্বর ২০১৫ থেকে শুরু হওয়া প্রকল্পের মেয়াদ জুন ২০২২ পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়েছে। এ প্রকল্পের মোট ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা।

সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এ দুই প্রকল্পসহ মোট ৯ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

বাংলাদেশ সময়: ১৭০২ ঘণ্টা, জুলাই ০৬, ২০২০
এমআইএস/এমজেএফ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa