ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ আশ্বিন ১৪২৭, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩ সফর ১৪৪২

জাতীয়

পাবনায় কুপিয়ে ও গুলি করে ২ জনকে হত্যা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬৪৮ ঘণ্টা, জুন ৬, ২০২০
পাবনায় কুপিয়ে ও গুলি করে ২ জনকে হত্যা

পাবনা: পাবনা সদরের ভাড়ারা ইউনিয়নে শত্রুতার জেরে একজনকে গুলি করে ও আতাইকুলা থানাধীন মধুপুর গ্রামে একজনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। 

নিহতরা হলেন-সদর উপজেলার ভাড়ারা খাঁ পাড়ার কালু খাঁর ছেলে হুকুম আলী খাঁ (৬৫) ও আতাইকুলা থানার মধুপুর পশ্চিমপাড়ার আব্দুল মজিদের ছেলে মজনু মিয়া (৪০)।  

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাতে পাবনা সদর থানাধীন খাঁ পাড়ার হুকুম আলী নামে ওই ব্যক্তিকে নিজ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

 

অপরদিকে শুক্রবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে পাবনা সদরের আতাইকুলা থানাধীন মধুপুর গ্রামের মো. মজনু মিঞা নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।  
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছিম আহম্মেদ জানান, পাবনা সদরের ভাড়ারা ইউনিয়নে হত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। কারা কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে মামলাও প্রক্রিয়াধীন।

তবে স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, সম্প্রতি হুকুম আলীর নাতি রবিউল ইসলামকে মারধরের ঘটনায় গত ৪ জুন স্থানীয় ১৫ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন হুকুম আলী। সেই মামলার জেরে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
 
এদিকে মধুপুর গ্রামের নিহত মজনুর মামাতো ভাই আব্দুল আলীম বলেন, শত্রুতার জেরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমার ভাই আতাইকুলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।

আতাইকুলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত চলছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।  

বাংলাদেশ সময়: ১৬৪৬ ঘণ্টা, জুন ০৬, ২০২০
আরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa