ঢাকা, বুধবার, ১৫ আশ্বিন ১৪২৭, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ সফর ১৪৪২

জাতীয়

‘করোনা রোধে নারায়ণগঞ্জের সিস্টেমটা সারাদেশে প্রয়োগ হবে’

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১১০৭ ঘণ্টা, জুন ৬, ২০২০
‘করোনা রোধে নারায়ণগঞ্জের সিস্টেমটা সারাদেশে প্রয়োগ হবে’

নারায়ণগঞ্জ: ‘নারায়ণগঞ্জ আগে থেকেই রোগী ব্যবস্থাপনার জন্য একটি মডেল। সারাদেশে এখন সেটি ফলো করা হবে। কীভাবে আমরা আক্রান্তদের বাসায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছি, আক্রান্তরা বেশি অসুস্থতা অনুভব করলে কীভাবে হাসপাতালে যাচ্ছেন, বা আমরা কীভাবে তাদের অ্যাম্বুলেন্সে করে বাসা থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি, এই পুরো কার্যক্রম, যেটা গত তিনমাস ধরে নারায়ণগঞ্জে চলছে, সেটিকে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় মডেল হিসেবে নিয়ে একটি কনসেপ্ট দাঁড় করিয়েছে। এটি এখন সারাদেশে প্রয়োগ হবে। নতুন কোনো কিছু ফলো করতে গেলে শুরুতে পাইলটিং হয়, নরসিংদী ও গাজীপুরে প্রয়োগ করে সেভাবেই নারায়ণগঞ্জের এই কার্যক্রমের পাইলটিং করা হবে।’ 

শনিবার (৬ জুন) সকালে বাংলানিউজকে এসব তথ্য জানান জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির প্রতিনিধি ডা. জাহিদুল ইসলাম।  

তিনি আরও বলেন, আমরা সারাদেশে পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে যুক্ত হবো।

জোন সেট করা আমাদের নতুন কনসেপ্ট, যা করতে আমাদের হয়তো আরও ৫ দিন সময় লাগবে। আপনারা জানেন ইতোমধ্যে গার্মেন্টসসহ সবকিছু খুলে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে। এ অবস্থায় করোনার বিস্তারটা রোধ করতে হবে। আমরা সেজন্য রেড জোন করবো।  

‘তিন ধরনের এলাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করা হবে। রেড জোনের বাসিন্দারা কোনোভাবেই এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না। এ জোনে প্রবেশ ও বের হবার ক্ষেত্রে থাকবে সর্বোচ্চ কঠোরতা। এরপর ইয়েলো জোন হবে, যেখানে অপেক্ষাকৃত আক্রান্ত কম। এখানে বাসিন্দারা সতর্কতা অবলম্বন করবেন। আর আক্রান্ত হয়নি এমন এলাকাকে গ্রিন জোন ঘোষণা করা হবে। এখানে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। রেড জোনে রোগো কমে যেতে থাকলে, শুরুতে তা ইয়েলো ও পরে রোগীমুক্ত হলে গ্রিন জোনে পরিবর্তিত হতে পারে। অন্যদিকে আক্রান্তের অনুপাত হিসেবে কোনো গ্রিন জোনও ক্রমে ক্রমে রেড জোন হয়ে যেতে পারে। যেহেতু সময়ের সাথে সাথে আক্রান্ত বাড়া-কমার ব্যাপার আছে। এটি নিয়ে কাজ চলছে। ’

এ প্রসঙ্গে ডা. জাহিদ আরও বলেন, রেড জোনে সরকার সবকিছু সাপ্লাই দেবে এবং এখান থেকে যারা সুস্থ ও বাইরে যাওয়া বেশি জরুরি তাদের আগেই বের করে নেওয়া হবে। এ ধরনের অঞ্চলে কীভাবে স্যাম্পল নেওয়া হবে, কীভাবে মানুষ খাদ্য পাবে, কীভাবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কীভাবে এ অঞ্চলের মানুষ টাকা উত্তোলন করবে, এসব নিয়ে পরিকল্পনা চলছে।  

বাংলাদেশ সময়: ১১০৬ ঘণ্টা, জুন ০৬, ২০২০
এমআরপি/এইচজে

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa