ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ আশ্বিন ১৪২৭, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩ সফর ১৪৪২

জাতীয়

প্রথম ভার্চুয়াল একনেকে ৩৯ হাজার ৭৪৯ কোটি ব্যয়ের ১০ প্রকল্প

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭১২ ঘণ্টা, জুন ১, ২০২০
প্রথম ভার্চুয়াল একনেকে ৩৯ হাজার ৭৪৯ কোটি ব্যয়ের ১০ প্রকল্প

ঢাকা: দীর্ঘ আড়াই মাসেরও বেশি সময় পর একনেক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে ভার্চুয়ালি। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি হবে প্রথম একনেকের ভার্চুয়াল বৈঠক। মঙ্গলবার (০২ জুন)  ১০ প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) এই বৈঠকে। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ৩৯ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা।    

গণভবন থেকে একনেক সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান উপস্থিত থাকবেন।

অন্যদিকে শেরে বাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-সচিবগণ উপস্থিত থাকবেন।

পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব)  খলিলুর রহমান খান বাংলানিউজকে বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভার্চুয়াল একনেক অনুষ্ঠিত হবে। এই একনেক সভায় উপস্থিতির হার কম। স্বাস্থ্য নিরাপত্তার কথা ভেবে মন্ত্রী ও সচিবগণ উপস্থিত থাকবেন।                    

মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি সরকারের বিশেষ বিবেচনায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।  ৭ম পর্যায়ে প্রকল্প পেতে যাচ্ছে। নতুন করে প্রকল্পের মোট ব্যয় হবে ৩ হাজার ১২৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। জুন ২০২০ থেকে ডিসেম্বর ২০২৪ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।  

কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অ্যাসিসট্যান্স প্রকল্প একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১ হাজার ২২৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১০ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ধরলে হয় ৮৬০ কোটি টাকা)। বাকি অর্থ সরকারি কোষাগার থেকে দেওয়া হবে।  

এছাড়া ‘কোভিড-১৯  ইর্মাজেন্সী রেসপন্ড অ্যান্ড প্যানডেমিক রেসপন্স’ নামে ১ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে একনেকে। এই প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৮৫০ কোটি টাকা আসছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ থেকে, বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে।  

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য ‘প্রাথমিক উপবৃত্তি (তৃতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পটির সংশোধনী বাস্তবায়নে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হবে ১৩ হাজার কোটি টাকা। ৪৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ফলে সাতক্ষীরা জেলার পোল্ডার ১, ২, ৬ থেকে ৮ এর (এক্সটেনশন)  ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।

৩ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনগার প্রকল্প’ একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে।  ৮ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে শতভাগ পল্লী বিদ্যুতায়নের জন্য বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্প সংশোধনের জন্য একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পটি রাজশাহী,  রংপুর,  খুলনাও বরিশাল বিভাগে বাস্তবায়িত হচ্ছে।  
                  

৮ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে শতভাগ পল্লী বিদ্যুতায়নের জন্য বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্প সংশোধনের জন্য একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পটি ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ  বিভাগে বাস্তবায়িত হচ্ছে।  

৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে কৃষি যন্ত্রপাতি ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন ব্যবস্থাকে অধিকতর লাভজনক করা প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে।             

৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে মানসম্পন্ন মসলা বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও বিতরণ প্রকল্প ভার্চুয়াল একনেকে উঠবে।  

বাংলাদেশ সময়: ১৭১২ ঘণ্টা, জুন ০১, ২০২০ 
এমঅাইএস/জেআইএম

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa