bangla news

আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরছে মানুষ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১১:২৪:১১ এএম
রাতভড় ঝড়ো হাওয়া ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির পর সকালে বরিশালের আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

রাতভড় ঝড়ো হাওয়া ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির পর সকালে বরিশালের আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরিশাল: ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে রাতভড় ঝড়ো হাওয়া ও গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির পর সকালে বরিশালের আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। আকাশ পরিষ্কার থাকায় আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা কেটে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জনজীবন। পাশাপাশি সকাল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হচ্ছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল থেকে বিভাগের ছয় জেলার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নেওয়া মানুষ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে। তবে যেসব এলাকা এখনো প্লাবিত অবস্থায় রয়েছে, সেখানকার মানুষজন অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রেই অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রশিদ। পাশাপাশি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

ফসলি ক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব না পাওয়া গেলেও বেশকিছু এলাকায় গাছপালা উপরে পড়া এবং কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া, বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে নদীর তীরবর্তী বেশকিছু বসতি এলাকা ও কৃষিজমি প্লাবিত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

অপরদিকে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় চাষিদের মাছের ঘের ও পুকুর তলিয়ে গেছে। পানির চাপে অনেকের ঘেরের সীমানা ভেঙে প্লাবিত হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চাষিরা।

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাসিন্দা রুবেল হাওলাদার জানান, অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে তাদের মাছের ঘেরে প্রথম পার্শ্ববর্তী খালের পানি প্রবেশ করে। এরপর পানির চাপে ঘেরের সীমানা বা পাড় ভেঙে যায়। এতে ঘেরের সব মাছ বের হয়ে যায়।

এদিকে নদ-নদীর পানিও সকাল থেকে কমতে শুরু করেছে। বরিশাল জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বরিশালের কীর্তনখোলা, বুড়িশ্বর, ধর্মগঞ্চ ও নয়াভাঙ্গুলি নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ সময়: ১১২৪ ঘণ্টা, মে ২১, ২০২০
এমএস/এফএম

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   বরিশাল ঘূর্ণিঝড় আম্পান
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-05-21 11:24:11