bangla news

রেল-বাস পর্যায়ক্রমে চালু: সরকার

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৪-০১ ৬:০০:৪১ পিএম
সরকারের লোগো

সরকারের লোগো

ঢাকা: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ছুটি বাড়লেও মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ রেল, বাস পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বুধবার (১ এপ্রিল) সাধারণ ছুটি আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনে একথা জানায়।
 
গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পরে দ্বিতীয় দফায় ১০ ও ১১ এপ্রিলের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
 
ছুটি বাড়ানোর প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জরুরি পরিষেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা (ছুটি) প্রযোজ্য হবে না।
 
‘কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জমাদি, জরুরি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতাবর্হিভূত থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে অফিস খোলা রাখা যাবে। প্রয়োজনে ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্প কলকারখানা চালু রাখতে পারবে। মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ যানবাহন, রেল, বাস পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে।’
 
জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটিকালীন বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় গত ২৩ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ ব্রিফিংয়ে ২৬ মার্চ থেকে সাপ্তাহিক ছুটিসহ ৪ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করেন। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এই ছুটির মধ্যে জরুরি সেবা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে।
 
গত ৮ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন তিনজন। মোট সুস্থ হয়েছেন ২৬ জন।
 
করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর আগে ১৮ থেকে ৩১ মার্চ এবং পরে তা বাড়িয়ে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত নেওয়া হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়িয়ে একেবারে রোজা ও ঈদের ছুটির সাথে সংযুক্ত করা হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 
 
এদিকে, সাধারণ ছুটির মধ্যে মার্কেটগুলো ২৫ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছে মালিক সমিতি। ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ রেখেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
 
মন্ত্রণালয়ের আদেশে সব ধরনের যাত্রীবাহী গণপরিবহন বন্ধ রেখে পণ্যবাহী যানবাহনে কোনো যাত্রী পরিবহণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, ওষুধ, জরুরি সেবা, জ্বালানি, পচনশীল পণ্য পরিবহন এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে রয়েছে।
 
যানবাহন বন্ধ থাকায় এই খাতের সঙ্গে যুক্তদের জীবিকায় টান পড়েছে। পাশাপাশি খেটে খাওয়া মানুষও ভোগান্তিতে রয়েছেন। সরকারের পক্ষে ত্রাণের ব্যবস্থা করা হলেও তা সব জায়গায় ঠিকমতো পৌঁছাচ্ছে না বলে অভিযোগ আসছে।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৮০০ ঘণ্টা, এপ্রিল ০১, ২০২০
এমআইএইচ/এএ

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-04-01 18:00:41