bangla news

বরিশাল বিভাগে কোয়ারেন্টিন শেষে ২০৪৩ জনকে ছাড়পত্র

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৪-০১ ৩:১৭:১১ পিএম
প্রতীকী

প্রতীকী

বরিশাল: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ২ হাজার ৪০ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ১৪ দিন শেষে তাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের কোনো উপসর্গ না পাওয়ায় ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বরগুনা জেলায় হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে থাকা তিনজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশেই বিদেশফেরত বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। 

বুধবার (১ এপ্রিল) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ৬ জেলায় মোট ২ হাজার ৯৩৬ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৪০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বরগুনা জেলায় হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে থাকা তিনজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ফলে এ পর্যন্ত বিভাগে কোয়ারেন্টিন থেকে মোট ২ হাজার ৪৩ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে বরিশাল ও বরগুনা জেলায় কাউকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়নি। বাকি ৪ জেলায় ৫০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে এবং বিভাগের ৬ জেলায় মোটা ৩৪০ জনকে গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিন রোগী আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, করোনা সন্দেহে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডগুলোতে রোগী ভর্তি করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি। এছাড়া শেবাচিম হাসপাতালে মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া বিভাগের জন্য শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজে ভাইরাস পরীক্ষার জন্য পিসিআর মেশিন এসে পৌছেছে। যেটি স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানান বাসুদেব কুমার দাস।

বাংলাদেশ সময়: ১৫১৪ ঘণ্টা, এপ্রিল ০১, ২০২০
এমএস/ওএইচ/

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   করোনা ভাইরাস
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-04-01 15:17:11