bangla news

দেশের বর্তমান মজুদ গ্যাসে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চলবে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০২-১৮ ৬:০৮:৪০ পিএম
জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষ ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষ ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: দেশে বর্তমানে (২০২০ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত) উত্তোলনযোগ্য মজুদ গ্যাসের পরিমাণ ১০ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এই গ্যাস থেকে প্রতিদিন গড়ে ২৫শ ৭০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। এটা অব্যাহত থাকলে এই মজুদ দিয়ে ২০৩০ সাল পর্যন্ত জনগণ ও শিল্পকারখানাসহ সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সদস্য হাবিবর রহমানের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রতিমন্ত্রী একথা জানান। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। 

মঙ্গলবারের প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ আরও বলেন, নতুন গ্যাসফিল্ড আবিষ্কারে বর্তমানে রাঙামাটি জেলার সীতাপাহাড় ভূগঠনে ভূতাত্ত্বিক জরিপ চলমান। অনশোরের বিভিন্ন ব্লকে ২ডি সাইসমিক জরিপ করার জন্য ডিপিপি অনুমোদন পর্যায়ে রয়েছে। শ্রীকাইল ইস্ট#১ অনুসন্ধান কূপ খননের প্রস্তুতিমূলক কাজ চলমান।  

‘এছাড়া সমুদ্রাঞ্চালে তেল/গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চারটি (এসএস-০৪, এসএস-০৯, এসএস-১১ ও ডিএস-১২) ব্লকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানির সঙ্গে উৎপাদন বণ্টন চুক্তি (পিএসসি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব ব্লকে সম্পাদিত দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক জরিপের ভিত্তিতে অগভীর সমুদ্রের তিনটি ব্লকে ২০১১ সালের মার্চ মাসের মধ্যে চারটি অনুসন্ধান কূপ খনন করা হবে। খুব শিগগিরই এসএস-০৪ এ একটি অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু হবে।’ 
 
বিরোধীদল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে নসরুল হামিদ বলেন, ঢাকা মহানগরসহ আশপাশের জেলাগুলোতে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৬০ মিটার অবৈধ বিতরণ লাইন রয়েছে। তার মধ্যে ঢাকা মহানগরে ১ হাজার ৪৬০ মিটার, ঢাকা জেলায় ১৮ হাজার ৫শ মিটার, গাজীপুরে ১ হাজার ৪৫০ মিটার, নারায়ণগঞ্জে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩০০ মিটার ও মুন্সিগঞ্জে ৩১ হাজার মিটার। 

বিচ্ছিন্ন করা অবৈধ বিতরণ পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৫৮৫ কিলোমিটার, বিচ্ছিন্ন গ্যাস বার্নারের সংখ্যা ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৯০০টি, এজন্য বিভিন্ন থানায় মোট ১০৪টি মামলা করা হয়েছে। অবৈধ গ্যাস বিতরণ বিচ্ছিন্নে ২০১৬-২০১৭ থেকে এ পর্যন্ত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১ কোটি ২৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০০ টাকা আদায় করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৮০২ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০
এসকে/এএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   সংসদ
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-02-18 18:08:40