bangla news

গাজীপুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫ ইটভাটা, ৮ লাখ টাকা জরিমানা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১২-০৯ ৯:৪৭:৫৬ পিএম
ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। ছবি: বাংলানিউজ

ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। ছবি: বাংলানিউজ

গাজীপুর: উচ্চ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার লতিফপুর এলাকায় পরিবেশ দূষণের দায়ে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি ইটভাটা ভেকু মেশিন দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে পাঁচটি ইটভাটাকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, পরিবেশ দূষণের দায়ে বিকেলে শ্রীপুর উপজেলার লতিফপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় আবুল কাশেম মোড়লের মালিকানা মেসার্স কে বি এম ব্রিকসকে ২ লাখ টাকা, মো. বরকত আলীর এল বি এম ব্রিকসকে ২ লাখ টাকা, লিয়াকত আলীর এল বি এম-২ কে ২ লাখ টাকা, নাজমুল হাসান আবুলের এ বি এম ব্রিকসকে ১ লাখ টাকা ও মো. মোশারফ হোসেনের মদিনা ব্রিকসকে ১ লাখসহ মোট ৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। 

এছাড়া ইটভাটাগুলোর আগুন ফায়ার সার্ভিসের পানি দিয়ে নিভিয়ে দেওয়া হয়। পরে ভেকু মেশিন দিয়ে পাঁচটি ইটভাকটাকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

অভিযানকালে উপস্থিতি ছিলেন- গাজীপুরের পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুস সালাম সরকার, পরিদর্শক শেখ মোজাহীদ ও আব্দুল রাজ্জাক, গাজীপুর র‌্যাব-১, আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য ও গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

গাজীপুরের পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুস সালাম সরকার জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় পরিবেশ দূষণের দায়ে শ্রীপুরে পাঁচটি ইটভাটা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এর আগে শ্রীপুরে তিনটি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় আটটি ইটভাটা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অভিযান চালিয়ে সব অবৈধ ইটভাটা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সময়: ২১৪৬ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০৯, ২০১৯
আরএস/আরবি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   ভ্রাম্যমাণ আদালত গাজীপুর
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-12-09 21:47:56