bangla news

সব সমস্যা সমাধানে জ্বিনের বাদশারা নেন শাহিনার ২৫ লাখ টাকা!

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১২-০৫ ৯:২১:৪৩ পিএম
সিআইডির সদস্যদের সঙ্গে গ্রেফতার প্রতারকরা। ছবি: বাংলানিউজ

সিআইডির সদস্যদের সঙ্গে গ্রেফতার প্রতারকরা। ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা: শাহিনা আক্তার। নানা সমস্যার জর্জরিত তিনি। এসব থেকে মুক্তির জন্য বহু চেষ্টা করে চলেছেন। এরমধ্যে কোনো এক মাধ্যম থেকে একটি মোবাইল নম্বর পান। যে নম্বরে ফোন দিলেই সমাধান করে দেওয়া হবে সব সমাধান! এমন আশ্বাসে জ্বিনের বাদশাদের ২৫ লাখ টাকা দেন এ নারী। আর টাকা দেওয়ার পরে তিনি বুঝতে পারেন তাকে ধোকা দেওয়া হয়েছে। এরপর তিনি রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সিআইডির একটি টিম ভোলা থেকে ৭ জ্বিনের বাদশাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার ৭ জন হলেন- মো. সুমন ফকির (২০), মো. মুনসুর আহমেদ (২৫), মো. হাছনাইন ফকির (২০), মো. হাবিবুল্লাহ (৩২), মো. লোকমান ভূঁইয়া কাজী (২৭), মো. রিয়াজ উদ্দিন (৩৪) (বিকাশ এজেন্ট) ও মো. ফজর আলী জোমাদার বাড়ি (৩৬)।

বৃহস্পতিবার (০৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সিআইডি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল।

মোস্তফা কামাল বলেন, ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার একটি মাধ্যমে নম্বর পান। যে নম্বরে ফোন দিলে সব সমস্যার সমাধান করে দেওয়া হবে বলা হয়। তিনি ওই নম্বরে ফোন করেন এবং ফোন করলে তাকে বলা হয় আমাদের সেবা নেওয়ার আগে দুই হাজার ১০০ টাকা দিয়ে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। শাহিনা তাদের কথামতো রেজিস্ট্রেশন করেন। এরপর জ্বিনের বাদশা টেলিফোনে হাজির হন। এরপর ভুক্তভোগীর এক একটি সমস্যার কথা শোনেন এবং এক একটি সমস্যা সমাধানের জন্য মোটা অংকের টাকা দাবি করেন।

তিনি বলেন, টাকা দাবির পর ৭টি বিকাশ নম্বর ভুক্তভোগীকে দেওয়া হয়। ৭টি নম্বরে বিকাশের মাধ্যমে ৩ মাসে ভুক্তভোগী ওই নারী ২৫ লাখ টাকা দেন। টাকা দেওয়ার পর আরও টাকার জন্য প্রতিবেশীর কাছে ধার চাইতে গেলে বিষয়টি তখন ওই নারীর ছেলে জানতে পারে। এরপর তারা হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলা তদন্ত করে জ্বিনের বাদশার সন্ধায় পাওয়া যায় ভোলায়। এরপর তাদের গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ৭ জন টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এ কর্মকর্তা বলেন, যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সময়: ২১২১ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
এমএমআই/এইচএডি/

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-12-05 21:21:43