bangla news

স্থানীয় সরকার পর্যায়ের কাজে সম্পৃক্ত হতে চান প্রতিবন্ধীরা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১১-১৯ ১:৪১:০৪ এএম
আলোচনা সভা। ছবি: বাংলানিউজ

আলোচনা সভা। ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা:  প্রতিবন্ধীতা কোনোরকম সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, অযোগ্যতা, অধস্থনতা বা অভিশাপ নয়। অনেক সময় জাগতিক অস্বাভাবিকতা ও নানা দুর্ঘটনার কারণেও একজন মানুষের জীবনে নানা ধরনের প্রতিবন্ধীতা তৈরি হতে পারে। একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি আইনের দৃষ্টিতে একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ ও রাষ্ট্রের সম্মানিত নাগরিক। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সরকারের সব উন্নয়ন কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চান প্রতিবন্ধীরা।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে হোটেল স্পেকট্রাতে ‘স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন: প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ’ বিষয়ক আলোচনায় এ দাবি জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনসুর আহমেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রতিবন্ধীরা বলেন, বিভিন্ন কারণে স্থানীয় সরকারের উন্নয়নে প্রতিবন্ধীরা অংশ নিতে পারছেন না। সরকারের বাজেট-বরাদ্দের বেশিরভাগই প্রতিবন্ধীরা পায় না। জনপ্রতিনিধিদের কাছে যেতেও বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হতে হয়।

একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিলা আক্তার বলেন, যেসব ইউনিয়নে প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে, সেসব ইউনিয়নের মানুষগুলো আমাদের প্রতি খুবই পজেটিভ। তবে যেসব ইউনিয়নে আমাদের নিয়ে কোনো প্রকল্প নেই, সেখানে বিরূপ পরিস্থিতি দেখা যায়।

একজন জনপ্রতিনিধি বলেন, ইউনিয়নের ট্যাক্সের টাকা তুলে অনেক সময় প্রতিবন্ধীদের ভাতা দিতে হয়। ট্যাক্সের টাকা তুলে তো ইউনিয়নের জনবলদের বেতন দিতেই কষ্ট হয়। ইউনিয়নের যেসব খাস জমি আছে, সেগুলো প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে।

মনসুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিবন্ধীদের নিয়ে একটি জরিপ করেছে। তাদের জরিপে দেশের প্রায় ১৫ লাখ প্রতিবন্ধীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এ জারিপে আজও আমি অন্তর্ভুক্ত হতে পারিনি। আমি আশা করি আগামী জনশুমারিতে প্রতিবন্ধীদের সঠিক তথ্য উঠে আসবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধীরা অতীতে অবহেলিত হয়েছে। আমাদের সরকারই ১৯৯৬ সালে প্রথম প্রতিবন্ধীদের জন্য ১০০ টাকা ভাতা চালু করে। ওই সময়ের ১০০ টাকার ভাতা এখন ৭৫০ টাকায় উন্নীত হয়েছে। যদিও চাহিদার তুলনায় ভাতার পরিমাণ কম। কিন্তু ভাতার পাশাপাশি সবাইকে স্বাবলম্বী হতে হবে। মূলত এ ভাতা আমরা সম্মানি হিসেবে দেই। এছাড়া বর্তমানেও আমরা প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করছি। আশা করি দেশের উন্নয়নের সুফল সবাই পাবে।

বাংলাদেশ সময়: ০১৪০ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৯, ২০১৯
এমআইএস/এইচএডি/

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-11-19 01:41:04