ঢাকা, রবিবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৯ আগস্ট ২০২০, ১৮ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

মাটিতেই পারি না মেট্রোরেল চালাবো কী করে, প্রশ্ন রওশনের

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০২৩৩ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৫, ২০১৯
মাটিতেই পারি না মেট্রোরেল চালাবো কী করে, প্রশ্ন রওশনের সংসদে বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ, ছবি: ফাইল ফটো

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: একের পর এক ট্রেন দুর্ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ। মাটির উপরে ট্রেন ঠিকমতো চলছে না, মেট্রোরেল কীভাবে চালানো হবে, প্রশ্ন তোলেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে রওশন এরশাদ এ প্রসঙ্গ টানেন। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সম্প্রতি রেল দুর্ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে রওশন এরশাদ বলেন, একের পর এক ট্রেন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মানুষ। আমরা মাটির উপর দিয়ে ট্রেন ঠিকমতো চালাতে পারি না বলে দুর্ঘটনা ঘটে। আমরা মেট্রোরেল চালাবো কীভাবে। শূন্যের উপর দিয়ে মেট্রোরেল করা হচ্ছে। এই ট্রেন যে পড়ে যাবে না, তার নিশ্চয়তা কী। পড়ে তো যাবেই। ট্রেন ঠিকমতো চালাতে পারি না, আবার মেট্রোরেল পাতালরেল কীভাবে চালাবো।

বিরোধী দলের নেতা বলেন, বুয়েট শিক্ষার্থী ফাহাদ আবরার, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি, কুমিল্লার সোহাগী জাহান তনু, পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আকতারের স্ত্রী মাহমুদা আকতারসহ এ পর্যন্ত যত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সবগুলোর দ্রুতবিচার সম্পন্ন করে মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনুন।

রওশন এরশাদ বলেন, কিছু কিছু হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত হয়। আবার কিছু হত্যাকাণ্ডের বিচার হচ্ছে না। নুসরাত হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা হলেও সাংবাদিত দম্পত্তি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার এখনও শুরুই হয়নি। কিছু কিছু মামলা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে কী যেগুলো সরকার চায়, সেগুলোর দ্রুতবিচার হয়। আর সরকার যেগুলো চায় না, সেগুলো ঝুলিয়ে রাখা হয়। এসব মামলার দ্রুত বিচার কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যখন ঢাকা ও চট্টগ্রামে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হয়, তখন কিছু ক্লাব ও বাড়িতে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, নগদ টাকা পাওয়া গেছে। এই অভিযানে প্রধানমন্ত্রী নিজের দলের নেতাদেরও ছাড় দেননি। এসব ক্লাবের ক্যাসিনোর খবর স্থানীয় থানাগুলো কেন দেখেনি।

নিরাপদ খাদ্য নিয়ে রওশন এরশাদ বলেন, এখন নিশ্চিন্ত মনে কোনো খাবার খাওয়া যায় না। হোটেলগুলো ২০ বছর আগের ঝোল ও ডাল বিক্রি করছে। খাদ্য নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ নেই। সরকার না চাইলে মানুষ হাজার চেষ্টা করেও নিরাপদ খাদ্য খেতে পারবে না।

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, তারা মানুষ গড়ার কারিগর। তাদের উপযুক্ত বেতন-ভাতা দিয়ে যোগ্য মানুষ গড়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করুন।

বাংলাদেশ সময়: ২১২৫ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
এসকে/এসই/টিএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa