bangla news

ঝড়ের রাতেই গুঁড়িয়ে দিল বসতঘর!

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১১-০৯ ১২:২৬:১১ পিএম
ভাঙা বসতঘরের সামনে বসে আছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। ছবি: বাংলানিউজ

ভাঙা বসতঘরের সামনে বসে আছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। ছবি: বাংলানিউজ

কক্সবাজার: সরকারের রেললাইন প্রকল্পে অধিগ্রহণ করা জমির ক্ষতিপূরণের টাকা পাওয়ার আগেই ঝড়ের শুক্রবার (৮ নভেম্বর) রাতেই অন্ধকারে স্কেভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বসতবাড়ি।

বাড়ির সদস্যরা বাড়ি থেকে দ্রুত বের হয়ে যাওয়ায় প্রাণে রক্ষা পেলেও ঘরের ভেতরে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র রক্ষা করতে পারেনি ক্ষতিগ্রস্ত আবদুচ্ছবির পরিবার। ওই পরিবারটি বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।

শুক্রবার দিনগত রাত প্রায় আড়াইটার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামপুরের সাত নম্বর ওয়ার্ডের বামনকাটায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এগিয়ে গেলে পালিয়ে যায় স্কেভেটরচালক ডালিম।

ক্ষতিগ্রস্ত আবদুচ্ছবি ওই এলাকার মৃত আবদুল আজিজের ছেলে।

ক্ষতিগ্রস্ত আবদুচ্ছবির অভিযোগ, গভীর রাতে ঘরের দেওয়ালে ধাক্কার আওয়াজ শুনে আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। বাইরে গিয়ে দেখি, স্কেভেটর লাগিয়ে ঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তখন ঘরের ভেতরে থাকা আমার স্ত্রী, সন্তান ও দুই ভাতিজা নুরুল আমিন ও নুরুল ইসলামসহ সবাই বের হয়ে আসি। তাতে জানে বেঁচে যাই। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে স্কেভেটরচালক পালিয়ে যান।

স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন বলেন, ক্ষতিপূরণের টাকার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ধর্ণা দিতে দিতে দিন-মাস-বছর শেষ। টাকা তো দেয়নি, উল্টো ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে এভাবে অমানবিক আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। যারা এমন অমানবিক আচরণ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ইদ্রিছ রানা বাংলানিউজকে বলেন, ক্ষতিপূরণের টাকা তো দেয়নি। সেখানে আবার রাতের অন্ধকারে ঘুমন্ত মানুষজন রেখে বসতবাড়ির ওপর স্কেভেটর চালানোর বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার বলেন, রেলের কাজ চলতে হবে। আবার জনগণকে ক্ষতিপূরণের টাকাও পেতে হবে। কিন্ত রাতের অন্ধকারে কেন ঘর ভাঙবে?এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আর বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমি প্রয়োজনীয় সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো।

বাংলাদেশ সময়: ১২১৬ ঘণ্টা, নভেম্বর ০৯, ২০১৯
এসবি/এএটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   কক্সবাজার
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-11-09 12:26:11