ঢাকা, বুধবার, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ অক্টোবর ২০১৯
bangla news

ফরিদপুরে হত্যা মামলায় ৭ জনের ফাঁসি

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১০-১০ ১১:৫১:১২ এএম
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা

ফরিদপুর: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পিকআপ ভ্যান চালক কেরামত হাওলাদার (৩৫) হত্যা মামলায় সাত জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সেলিম মিয়া এ রায় দেন। সাত আসামির মধ্যে পাঁচজন রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ভাঙ্গা উপজেলা চান্দ্রা গ্রামের মৃত আব্দুল মোল্যার ছেলে তোফা মোল্যা (২৬), আব্দুল মান্নান ফকিরের ছেলে পলাশ ফকির (৩২), সামছুল হক খালাসির ছেলে সিদ্দিক খালাসি (৩৬), আব্দুল মালেক মাতুব্বরের ছেলে এরশাদ মাতুব্বর (৩২), মৃত মোসলেমের ছেলে সুরুজ ওরফে সিরাজুল খাঁ (২৭), মৃত আব্দুল মালেক মাতুব্বরের ছেলে নাইম মাতুব্বর (৩৫), গিয়াস উদ্দিন মোল্যার ছেলে আনু মোল্যা ওরফে আনোয়ার মোল্যা (২৮)। এদের মধ্যে নাইম মাতুব্বর ও সুরুজ ওরফে সিরাজুল পলাতক রয়েছেন। 

আদালতের ভারপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউটর দুলাল চন্দ্র সরকার জানান, ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ভাঙ্গা উপজেলার উত্তর লোহারদিয়া গ্রামের পিকআপ ভ্যান চালক কেরামত হাওলাদার নিখোঁজ হন। পরদিন ভোরে পার্শ্ববর্তী ছলিলদিয়া দিঘলকান্দা বিলের ভেতর থেকে কেরামতের গলা ও পেটকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর মৃত কেরামতের ভাই ইকরাম হাওলাদার বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় মামলা করেন। পুলিশ মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে তোফা মোল্লাকে আটক করলে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী অন্য আসামিদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। এরপর মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় দেন। 

বাংলাদেশ সময়: ১১৫০ ঘণ্টা, অক্টোবর ১০, ২০১৯
এনটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   ফরিদপুর
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-10-10 11:51:12