bangla news

মধুমতি নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১০-১০ ৪:০৩:৪৯ এএম
মধুমতির ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ। ছবি: বাংলানিউজ

মধুমতির ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ। ছবি: বাংলানিউজ

প্রতিবছরের মতো এবারও শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমীর পরদিন মধুমতি নদীতে আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা।

বুধবার (০৯ অক্টোবর) বিকেলে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ঝামা বাজার সংলগ্ন মধুমতি নদীতে এই নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

ঐতিহ্যবাহী এ নৌকা বাইচ উপলক্ষে প্রতিবছর মেলা বসে। এই মেলাটি ‘ঝামার মেলা’ নামে খ্যাত। 

এ বছর নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় ফরিদপুর আলফাডাঙ্গা উপজেলার ফকিরাফুল গ্রামের কাশেম মোল্লার নৌকা প্রথম স্থান দখল করে জিতে নেয় একটি ৩২ইঞ্চি এলইডি  রঙিন টেলিভিন। খুলনা জেলার কালু ফকিরের নৌকা দ্বিতীয় হয়ে অর্জন করে একটি ২১ ইঞ্চি রঙিন টেলিভিশন এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীর হাতে পুরস্কার হিসেবে নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়।

নৌকা বাইচ দেখতে দু্ই পাড়ে জমে দর্শনার্থীদের ভিড়

এদিকে সকাল থেকেই ঝামা, চরঝামা, দেউলি, দিগমাঝি, আড়মাঝি, হরেকৃষ্ণপুর এলাকায় মধুমতির দুই পাড়ে হাজার হাজার দর্শক নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে জড়ো হন। শিশু-কিশোর-নারী-পুরুষসহ সব শ্রেণি-পেশার  মানুষের  সরব উপস্থিতিতে নদীর দুই ধার উপচে পড়ে।

বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। চড়ন্দারের ঘণ্টার টং টং আওয়াজের তালে তাল মিলিয়ে বাইচারা বইঠা টানেন হেলেদুলে। ৮টি সুসজ্জিত বাইচের নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

নৌকা বাইচে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য শ্রী বীরেন শিকদার এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুলাহেল কাফি, থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) তারক বিশ্বাস। মেলা কমিটির সভাপতি ও মহম্মদপুর উপজেলার মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান বেবী নাজনীনের সভাপতিত্বে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ সময়: ০৪০০ ঘণ্টা, অক্টোবর ১০, ২০১৯
এমকেআর/

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   মাগুরা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-10-10 04:03:49