bangla news

বিটিআরসি’র রাজস্ব বকেয়া দাবির বিরুদ্ধে জিপি-রবি’র মামলা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৯-১১ ১০:০৩:৪৯ পিএম
গ্রামীণ ফোন ও রবির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

গ্রামীণ ফোন ও রবির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

ঢাকা: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন’র (বিটিআরসি) অডিট আপত্তিতে নতুন করে খুঁজে পাওয়া বকেয়া রাজস্ব দাবির ঘটনাকে অযৌক্তিক ও ত্রুটিপূর্ণ উল্লেখ করে দুটি পৃথক মামলা করেছে মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন (জিপি) ও রবি। 

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ কথা জানায় গ্রামীণফোন ও রবি। গত ২৫ ও ২৬ আগস্ট ঢাকার দেওয়ানী আদালতে রবি ও গ্রামীণফোন মামলা দু’টি করে। 

গ্রামীণফোনের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অডিটের ভিত্তিতে বিটিআরসি যে অযৌক্তিক অর্থ দাবি করছে তার প্রক্রিয়া, কার্যপ্রণালী ও ফলাফলের বিপক্ষে আমরা বারবার আপত্তি পেশ করেছি। ত্রুটির্পূণ অডিটকে ঘিরে অচলাবস্থার নিরসনে আমরা বারবার সালিশি প্রক্রিয়াসহ স্বচ্ছ গঠনমূলক আলোচনার আহবান জানিয়েছি।’

‘দুঃখজনকভাবে আমাদের সব প্রচেষ্টা বিটিআরসি অগ্রাহ্য করেছে। একইসঙ্গে এই অযোক্তিক অডিট দাবি আদায়ে অন্যায্যভাবে বল প্রয়োগ করছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ আগস্ট গ্রামীণফোন একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করতে বাধ্য হয়েছে। বিষয়টি এখন আদালতে বিবেচনাধীন।’

অন্যদিকে রবির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিটিআরসির নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উত্থাপিত প্রশ্নবিদ্ধ আপত্তিগুলো আলাপ-আলোচনা ও বিকল্প সালিশ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সমাধানে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিটিআরসি আমাদের সে প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ নিরীক্ষা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দাবিকৃত অর্থ আদায়ে আইন বহির্ভূত পদক্ষেপ নিয়েছে।’

‘সমস্যা সমাধানে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া রবির কোনো বিকল্প ছিল না। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন, এবং এ বিষয়ে এ মুহূর্তে আর কোনো মন্তব্য করা সমীচিন নয় বলে রবি মনে করে।’

এদিকে বিটিআরসি জানায়, গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসি’র ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ ও রবির কাছে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা রাজস্ব পাওনা রয়েছে। দীর্ঘদিনের এ পাওনা পরিশোধ না করায় গত ৪ জুলাই বিটিআরসি পাঁচটি আইআইজি প্রতিষ্ঠানকে গ্রামীণফোন ও রবির ব্যান্ডউইথ কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

পরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের মধ্যস্থতায় ১৭ জুলাই ওই দুই অপারেটরের ব্যান্ডউইথ ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর ৪৬(২) ধারা মোতাবেক মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবির টু-জি ও থ্রি-জি লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, ৩০ দিনের মধ্যে তার কারণ দর্শানোর (শোকজ) জন্য দুই অপারেটর বরাবর ৫ সেপ্টেম্বর এক নোটিশ দেয় বিটিআরসি। 

পাওনা টাকা আদায় না হলে বিটিআরসি এ দুই অপারেটরে প্রশাসক নিয়োগ করার চিন্তা করছে বলেও জানা যায়।

বাংলাদেশ সময়: ২১৫৮ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ 
এমআইএইচ/এইচজে/এইচএ

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-09-11 22:03:49