ঢাকা, বুধবার, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ অক্টোবর ২০১৯
bangla news

‘শহীদ জিয়া’ নাম পুনঃস্থাপনে এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৯-০২ ৩:১৯:০২ এএম
জেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

জেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের শহীদ জিয়া অডিটোরিয়ামের ‘শহীদ জিয়া’ নাম অপসারণের প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা বিএনপি। একইসঙ্গে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শহীদ জিয়া নাম পুনঃস্থাপনের আল্টিমেটাম দিয়েছে দলটির নেতারা। 

রোববার (১ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলা বিএনপির এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ আল্টিমেটাম দেন দলটির জেলা সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এম নাসের রহমান বলেন, ১৯৯৫ সালে সিলেট বিভাগের উন্নয়নের রূপকার সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান বিশেষ বরাদ্ধ দিয়ে এ অডিটোরিয়ামের কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে এর কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। ২০০১ সালে বিএনপি আবার ক্ষমতায় এলে কাজ সম্পন্ন করে নাম রাখা হয় ‘শহীদ জিয়া অডিটোরিয়াম’। বাংলাদেশের বহু নামিদামি কলেজের যখন নিজস্ব অডিটোরিয়াম ছিল না তখন মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের এই অডিটোরিয়াম করা হয়েছিল। এটা এই কলেজের একটা ঐতিহ্য।

আরও পড়ুন: ‘শহীদ জিয়া অডিটোরিয়াম’-এর নামফলক ভেঙে দিল ছাত্রলীগ

তিনি বলেন, গত সাড়ে ১০ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাবস্থায় অডিটোরিয়ামের নাম পরিবর্তন কিংবা অপসারণের কোনো সাহস দেখায়নি। এখন কোনো কারণছাড়া ছাত্রলীগ ন্যাক্কারজনকভাবে উল্লাসের সঙ্গে জিয়ার নাম ফলক ভেঙে নতুন নামকরণ করার চেষ্টা করছে। যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

এসময় ছাত্রলীগকে উদ্দেশ্য করে নাসের রহমান বলেন, আজ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলে তারা অন্যদলের শ্রদ্ধেয় নেতার নামফলক ভেঙে ফেলছেন। কাল তারা ক্ষমতায় না থাকলে তাদের দলের শ্রদ্ধেয় মরহুম নেতার (বঙ্গবন্ধু) নাম কেউ মুছে ফেললে তখন কী করবে? তারা যে ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা দেশের সুষ্ঠু রাজনীতির একটি কলঙ্কজনক উদাহরণ।

শহীদ জিয়া অডিটোরিয়ামের নাম ফলক ভেঙে দেয় ছাত্রলীগআগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অডিটোরিয়ামে শহীদ জিয়ার নামফলক পুনঃস্থাপন করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে কলেজ কর্তৃক মামলা করার দাবি জানাচ্ছি। একইসঙ্গে যদি শহীদ জিয়ার নাম পুনঃস্থাপন করা না হয় তাহলে বিএনপি নিজ উদ্যোগে তা করার ব্যবস্থা নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সিনিয়র সহসভাপতি ফয়জুল করিম ময়ুন, সহসভাপতি ওয়ালী সিদ্দিকী, আব্দুল মুকিত, মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুক, আসিক মোসাররফ, সংগঠনিক সম্পাদক বকশি মিছবাউর রহমান, আব্দুল মতিন, যুগ্ম সম্পাদক হেলু মিয়া, প্রচার সম্পাদক এম ইদ্রিস আলীসহ যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল এবং শ্রমিকদলের নেতারা।

সংবাদ সম্মেলন শেষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহরে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল পৃথক র‌্যালি করে প্রেসক্লাবে মোড়ে বনফুল কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

বাংলাদেশ সময়: ০৩১১ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০২, ২০১৯
এসএইচ/

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-09-02 03:19:02