ঢাকা, বুধবার, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ অক্টোবর ২০১৯
bangla news

স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে চলন্ত গাড়ির নিচে ফেলে হত্যার অভিযোগ

বেরোবি করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৮-৩০ ৮:১৪:০৪ পিএম
প্রতীকী

প্রতীকী

রংপুর: রংপুরে আব্দুর রশীদ (১১) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রকে কুপিয়ে আহত করে চলন্ত গাড়ির নিচে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৩০ আগস্ট) ওই শিক্ষার্থীর পরিবার এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে। বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্টোপলিটন কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ।

শিক্ষার্থী আব্দুর রশীদ নগরীর সাতগাড়া মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় শহিদার রহমানের ছেলে। 

পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে রশিদের বড় ভাই মোহনের (৩০) কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মোজাফফর হোসেন। তিনি টাকা না দেওয়ায় তাকে মারধর করে সন্ত্রাসী মোজাফফর। এঘটনার বিচার দাবি করে মোজাফফরের বাবা কামালের কাছে অভিযোগ করেন রশীদের বড় ভাই মোহন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় মোজাফফর।

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রশীদ টেক্সটাইল মোড়ে বাজার করে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসী মোজাফফর ও তার সহযোগীরা রশীদকে পিটিয়ে ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। একপর্যায়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে রশীদকে চলন্ত একটি গাড়ির নিচে ফেলে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় রশীদ। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রশীদের ফুফু নাজমা বেগম জানান, ‘আমি জরুরি কাজে টেক্সটাইল মোড় দিয়ে যাওয়ার সময় দেখতে পাই আমার ভাতিজা রশীদকে সন্ত্রাসী মোজাফফর, তার সহযোগী মন্টি, জয়, বেলালসহ কয়েকজন লাঠি আর ছুরি দিয়ে কোপাচ্ছে। আমি দৌড়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রশীদকে রক্ষা করার চেষ্টা করি। কিন্তু সন্ত্রাসীরা আমাকে ফেলে দিয়ে রশীদকে কোপাতে থাকে। একপর্যায়ে ওই মহাসড়ক দিয়ে একটি বাস আসার সময় সন্ত্রাসীরা চলন্ত বাসের নিচে রশীদকে ফেলে দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।’

নিহত রশীদের বড় ভাই মোহন অভিযোগ করে বলেন, ‘মোজাফফর এলাকার সন্ত্রাসী। সে সবার কাছে টাকা দাবি করে, জোর করে টাকা কেড়ে নেয়। স্কুল-কলেজের মেয়েদের ইভটিজিং করে। প্রতিবাদ করলেই দলবল নিয়ে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে আহত করে। আমি টাকা দেইনি এবং তার বাবার কাছে বিচার দিয়েছি। এ কারণে আমার ছোটভাইকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে রংপুর মেট্টোপলিটন কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ বাংলানিউজকে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সময়: ২০১২ ঘণ্টা, আগস্ট ৩০, ২০১৯
জেডএস

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-08-30 20:14:04