ঢাকা, মঙ্গলবার, ১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
bangla news

রপ্তানির জন্য ২ কার্গো প্লেন কিনতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৮-২০ ৩:২৫:৩৭ পিএম
এনইসি সভাকক্ষে একনেকের সভা। ছবি: পিআইডি

এনইসি সভাকক্ষে একনেকের সভা। ছবি: পিআইডি

ঢাকা: সবজি চাষে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। প্রচলিত কৃষির বাইরে বিদেশি জাতের বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি, ফল-ফুল চাষ সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। একারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবজি রপ্তানির জন্য দু’টি কার্গো প্লেন কিনতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) শেরে বাংলা নগরের এনইসি সভাকক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ আদেশ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সবজি বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করছি। এখন কার্গো প্লেন কেনার সময় এসেছে। দু’টি কার্গো কিনে ফেলেন।

পরে অর্থসচিব আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, বিমানের অবস্থা ভালো। বিমান নিজের টাকা দিয়েই দু’টি কার্গো প্লেন কিনতে পারবে।   

একনেক সভায় ১৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘কৃষি বিপণন অধিদফতর জোরদারকরণ’ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় কার্গো প্লেন কেনার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবজি রপ্তানি করা হচ্ছে। এ কাজে আমরা কার্গো প্লেন ভাড়া করছি। তাই, দু’টি হিমায়িত কার্গো প্লেন কেনার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, একনেক সভায় ১২টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ১৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

সভায় বিদ্যুতের লাইন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে সব বিদ্যুৎলাইন মাটির নিচে স্থাপন করতে হবে। 

এছাড়া, ৭১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘খুলনা কর ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসময় শেখ হাসিনা বলেন, খুলনা লবণাক্ততা-প্রবণ এলাকা। এখানে ভবন নির্মাণের সময় বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। বড় সরকারি ভবনে ‘ডে কেয়ার সেন্টার’র ব্যবস্থা করতে হবে।

নানা দিক-নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৃষ্টির পানিতে ভাঙ্গন রোধে পার্বত্য এলাকায় সড়কের উভয় পাশে চিকন বাঁশ রোপণ করতে হবে। নদীভাঙ্গন রোধে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ে জোর দিতে হবে।

‘মেঘনা নদীর ভাঙ্গন থেকে ভোলা জেলার চরফ্যাশন পৌর শহর সংরক্ষণ’ প্রকল্পটি সংশোধিত আকারে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ২৭৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। 

এ প্রকল্পে এক কর্মকর্তা গাফিলতি করেছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, প্রকল্পের ভুল অ্যাসেসমেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সড়ক নির্মাণের সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে, বর্ষার সময় পানির প্রবাহ আটকে না থাকে।

বাংলাদেশ সময়: ১৫২৫ ঘণ্টা, আগস্ট ২০, ২০১৯
এমআইএস/একে

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-08-20 15:25:37