ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২০ আগস্ট ২০১৯
bangla news

চামড়ার দাম নেই, এতিমখানা-মাদ্রাসায় দান

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৮-১৩ ৭:৩৮:১৫ পিএম
কোরবানির পশুর চামড়া। ছবি: বাংলানিউজ

কোরবানির পশুর চামড়া। ছবি: বাংলানিউজ

নীলফামারী: নীলফামারীর সৈয়দপুরে এবার কোরবানির চামড়ার বাজারে ব্যাপক ধস নেমেছে। দাম কম হওয়ায় অনেকে তা দান করেছেন এতিমখানা-মাদ্রাসায়। 

শহরের চামড়া পাইকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকার ট্যানারিগুলোতে তাদের পাওনা রয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা। গত বছরের টাকা পরিশোধ করেনি তারা। এজন্য স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পড়েছেন বিপাকে। কেউ কেউ নিজের স্বল্প পুঁজি নিয়ে চামড়া কিনতে মাঠে নামেন। কিন্তু এ নিয়ে পাইকারেরা বেশ উদ্বিগ্ন। যদি অল্পদিনের মধ্যে ঢাকার ট্যানারি মালিকেরা চামড়াগুলো না কেনেন তাহলে ভয়াবহ বিপাকে পড়তে হবে তাদের।

সৈয়দপুর শহরের মিস্ত্রীপাড়া চামড়া আড়তের মহাজন আজিজুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, কোরবানি ঈদের দিন সামান্য পুঁজি নিয়ে চামড়া কিনেছি। বাজারে চামড়ার দাম কম, ধস নেমেছে চামড়া খাতে। তবুও নিচে ২০০-৩০০ টাকায় চামড়া কিনে মজুদ করেছি। এসব চামড়া ঢাকায় পাঠানোর অপেক্ষা করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাঠে নামেনি ট্যানারি মালিকেরা।

এদিকে, সৈয়দপুর শহরের নতুন বাবুপাড়ার চিকিৎসক খায়রুল বাশার তার দুটি কোরবানির গরুর চামড়া মাদ্রাসায় দান করেছেন। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, চামড়ার টাকা গরীবের হক, ইচ্ছে ছিল চামড়া বেচে বেশি টাকা পেলে তা গরীবদের দান করবো। কিন্তু দাম না মেলায় চামড়া দুটি মাদ্রাসায় দিয়ে দিয়েছি। আমার মতো অনেকই এভাবে পশুর চামড়া এতিমখানা-মাদ্রাসায় দান করেছেন।

মহাজনদের একটি পক্ষ অভিযোগ করে বলেন, ঢাকার মালিকেরা সিন্ডিকেট করায় এবার চামড়া বাজারে ধস নেমেছে। কিছুদিনের মধ্যে ট্যানারি মালিকেরা কমদামে এসব চামড়া কিনে নেবেন। এদিকে, চামড়ার দাম কম হওয়ায় এর একটা বড় অংশ ভারতে পাচার হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কিছু খুচরা চামড়া ব্যবসায়ী।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৩৪ ঘণ্টা, আগস্ট ১৩, ২০১৯
এনটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   নীলফামারী
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-08-13 19:38:15