ঢাকা, সোমবার, ১১ ভাদ্র ১৪২৬, ২৬ আগস্ট ২০১৯
bangla news

নারীর ক্ষমতায়নের পূর্ণ বাস্তবায়ন অপরিহার্য: স্পিকার

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৭-১৬ ৪:৫৭:০০ পিএম
সভায় বক্তব্য দেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ছবি: সংসদ সচিবালয়ের সৌজন্যে

সভায় বক্তব্য দেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ছবি: সংসদ সচিবালয়ের সৌজন্যে

ঢাকা: বৈশ্বিকভাবে লিঙ্গসমতা আনয়নের জন্য ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০’  অর্জনে নারীর  ক্ষমতায়নের  পূর্ণ  বাস্তবায়ন অপরিহার্য বলে মনে করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

জাতিসংঘ  সদর দফতরে লিঙ্গসমতা  বিষয়ক  বৈশ্বিক  নেতাদের  অনানুষ্ঠানিক  সভায়  প্যানেল  আলোচনায় অংশ  নিয়ে তিনি এ কথা  বলেন। 

‘টেকসই  বিশ্বের  জন্য  লিঙ্গসমতা  ও  নারী  নেতৃত্ব’  শীর্ষক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতিসংঘ  সাধারণ  পরিষদের  সভাপতি   মারিয়া  ফার্নান্দে এসপিনোসা  গার্সেজ। 

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ শাখার পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ জানানো হয়েছে, সোমবার (১৫ জুলাই) এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

লিঙ্গসমতা অর্জনে বিশ্বনেতাদের করণীয় সম্পর্কে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ক্ষমতা-কাঠামো  পরিবর্তন  করতে  হবে।  এজন্য প্রয়োজন সংসদ সদস্যদের (এমপি) সক্রিয় ভূমিকা। আর এখনই সেটা বাস্তবায়নের উপযুক্ত সময়। 

এ সময় তিনি সংসদ সদস্যদের লিঙ্গসমতা অর্জনে ক্ষমতা-কাঠামো  পরিবর্তনে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী  শেখ  হাসিনার  দূরদর্শী  নেতৃত্বে  বাংলাদেশে  লিঙ্গসমতা  অর্জন  ও  নারীর  ক্ষমতায়নের জন্য  জাতীয়  নারী উন্নয়ন  নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া তিনি  অতিদরিদ্র  নারীদের  জন্য  সামাজিক  নিরাপত্তা  বেষ্টনী  সৃষ্টি,  বিধবা  ভাতা,  প্রসূতি নারীদের  ভাতা,  পেশা  উন্নয়ন ও তথ্য-প্রযুক্তিগত  প্রশিক্ষণ,  নারীর প্রতি সহিংসতা  রোধসহ  যেসব পদক্ষেপ  বাস্তবায়ন  করা হয়েছে। আর প্ল্যানেট  ৫০-৫০  অর্জনও এখন সময়ের  দাবি। 

তিনি বলেন,  বাংলাদেশ  জাতীয়  সংসদ  নারী  ক্ষমতায়নের  প্রকৃষ্ট  উদাহরণ।  সংসদ  নেতা  ও বাংলাদেশের  প্রধানমন্ত্রী  নারী,  স্পিকার,  সংসদ  উপনেতা, বিরোধীদলীয়  উপনেতা এবং বর্তমান মন্ত্রিপরিষদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে  নারীরা রয়েছেন।  

‘নারীদের জন্য  সংরক্ষিত আসন রয়েছে  ৫০টি এবং বর্তমান সংসদে ২৩  জন  নারী  সংসদ সদস্য সরাসরি  ভোটে  নির্বাচিত হয়েছেন। সামরিক  বাহিনী,  প্রশাসন, পুলিশ,  আইন  ও  বিচার  বিভাগীয়  প্রতিষ্ঠানসহ  সকল  ক্ষেত্রেই  রয়েছে  নারীর  দৃশ্যমান উপস্থিতি।  জাতিসংঘ  শান্তিরক্ষী  মিশনে বাংলাদেশের  নারীরা সুনামের সঙ্গে  কাজ  করছেন। দেশে  ৪০  লাখেরও  বেশি  নারী  তৈরি  পোশাক  শিল্পে  কাজ  করছে যা  লিঙ্গসমতার উজ্জ্বল  উদাহরণ।’

তিনি  বলেন, নারীরা  এগিয়ে  যাচ্ছে। প্রথাগত  ধারণা  থেকে  বেরিয়ে  আসতে  হবে। আর তাহলেই  লিঙ্গসমতা অর্জন সম্ভব।  নারীর  প্রতি  সহিংসতা  রোধে  এবং  নারী  ক্ষমতায়নের  ক্ষেত্রে  বৈশ্বিক  পদক্ষেপসমূহকে আরও  শক্তিশালী  করতে হবে। 

পরে স্পিকার  জাতিসংঘ  সদর দফতরে এইচএলপিএফ -এর  পার্লামেন্টারি  ফোরাম  আয়োজিত ‘গ্রোয়িং ইনিকোয়ালিটিস অ্যান্ড ডিসট্রাস্ট ইন গভর্নমেন্ট: ব্রেকিং দ্য সাইকেল’ শীর্ষক প্যানেল  আলোচনা  অনুষ্ঠানে  যোগ  দেন। 

ইন্টার  পার্লামেন্টারি  ইউনিয়নের  (আইপিইউ) সভাপতি  গ্যাব্রিয়েলা  কুইভাস  ব্যারন এ  সভায়  উদ্বোধনী  বক্তব্য রাখেন।  দিনব্যাপী  এই  আলোচনা  অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের  মাঝে  উপস্থিত  ছিলেন  জাতিসংঘে  নিযুক্ত  বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি  রাষ্ট্রদূত মাসুদ  বিন  মোমেন  এবং  জাতীয় সংসদের  সিনিয়র  সচিব  ড. জাফর আহমেদ খান।

বাংলাদেশ সময়: ১৬১৬ ঘণ্টা, জুলাই ১৬, ২০১৯ 
এসকে/এমএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   সংসদ
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-07-16 16:57:00